Web Analytics

একটি মতামতধর্মী লেখায় বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিকদের জন্য আরও শক্তিশালী নিরাপত্তা, আইনি সুরক্ষা ও সামাজিক সহায়তার দাবি জানানো হয়েছে। লেখাটিতে বলা হয়েছে, দেশের অর্থনীতিতে তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের সঙ্গে তাদের নিরাপত্তা ও মর্যাদার ব্যবস্থা সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে পরিবারকে সহায়তার আশায় বিদেশযাত্রার পরও তারা যাত্রার আগে, বিদেশে এবং দেশে ফেরার সময় নানা ঝুঁকির মুখে পড়েন।

লেখাটি অনুযায়ী, অসৎ দালাল, ভিসা সিন্ডিকেট ও চড়া সুদের ঋণে অনেকে বিদেশে যাওয়ার আগেই নিঃস্ব হন। বিদেশে গিয়ে আকামা না পাওয়া, চুক্তি অনুযায়ী কাজ বা বেতন না পাওয়া এবং গাদাগাদি আবাসনের মতো সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। নারী গৃহকর্মীদের মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের কথাও তুলে ধরা হয়েছে। বিমানবন্দরে প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের উদাসীনতা, ট্রলির অভাব, ব্যাগের জিনিস চুরি, কটু কথা এবং বাইরে সিন্ডিকেটের খপ্পরে পড়ার অভিযোগও এসেছে।

প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে রিক্রুটিং এজেন্সির কঠোর তদারকি, স্বল্প খরচে নিরাপদ অভিবাসন, বাধ্যতামূলক দক্ষতা প্রশিক্ষণ ও শ্রম আইন শিক্ষা। প্রতিটি বাংলাদেশ দূতাবাসে আইনি সহায়তা সেল, বিমানবন্দরে দ্রুত ও সম্মানজনক সেবা এবং ফেরত আসা শ্রমিকদের জন্য পুনর্বাসন তহবিলের দাবি করা হয়েছে। সহজ শর্তে ঋণ ও পেনশনের ব্যবস্থার কথাও বলা হয়েছে।

19 Oct 26 1NOJOR.COM

অভিবাসী শ্রমিকদের নিরাপদ যাত্রা, আইনি সহায়তা ও পুনর্বাসনের দাবি

নিউজ সোর্স

অভিবাসীদের নিরাপত্তা কোথায়

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনের কাচের দরজাটা পার হলেই চেনা জগৎটা কেমন যেন পর হয়ে যায়। কারো কাঁধে আধভাঙা মলিন একখান ব্যাগ, কারো চোখে বুকচাপা কান্না, আবার কারো মুখে পরিবারের মুখে দুটো ডাল-ভাতের ব্যবস্থা করার শেষ আকুতি। জীবনের আনন্দ,

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।