Web Analytics

২০২৫ সালের মে মাসে সংঘটিত প্রথম বৃহৎ ড্রোন সংঘাতের পর ভারত ও পাকিস্তান তাদের সামরিক কৌশল নতুনভাবে সাজাচ্ছে। পহেলগামে পর্যটক হত্যার পর ভারতের ‘অপারেশন সিন্দুর’ অভিযানের মাধ্যমে শুরু হওয়া চার দিনের সংঘাত দক্ষিণ এশিয়ার যুদ্ধনীতিতে নতুন অধ্যায় খুলে দেয়। উভয় দেশই ‘লয়টারিং মিউনিশন’ ও ‘সোয়ার্ম ড্রোন’-এর মতো উন্নত মানববিহীন উড়োজাহাজ ব্যবহার করে, যা তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ করে এবং নতুন প্রতিরোধ কৌশলের প্রয়োজনীয়তা সামনে আনে।

ভারতের সামরিক কর্তারা ড্রোন হুমকি স্বীকার করে জাতীয় পর্যায়ে প্রতিরোধ নীতি প্রণয়নের কাজ শুরু করেছেন। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৫ সালের অক্টোবর পর্যন্ত সীমান্তে ১৮১৬টি ড্রোন শনাক্ত হয়েছে, যেগুলোর অনেকগুলো পাচারের কাজে ব্যবহৃত হয়েছে বলে অভিযোগ। পাকিস্তানও নজরদারি ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে ড্রোন ব্যবহারে জোর দিচ্ছে এবং প্রতিরোধে কাইনেটিক ও নন-কাইনেটিক প্রযুক্তি ব্যবহার করছে।

ভারত দেশীয় ড্রোন উৎপাদন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-নির্ভর সোয়ার্ম প্রযুক্তি উন্নয়নে মনোযোগ দিচ্ছে, অন্যদিকে পাকিস্তান তুরস্ক ও চীন থেকে সশস্ত্র ড্রোন সংগ্রহ করছে। বিশ্লেষকদের মতে, ড্রোন যুদ্ধ কৌশলগত ভারসাম্য পুরোপুরি বদলাবে না, তবে সংঘাতের ধরন পরিবর্তন করছে।

17 May 26 1NOJOR.COM

২০২৫ সালের প্রথম ড্রোন সংঘাতের পর ভারত-পাকিস্তানের সামরিক কৌশলে বড় পরিবর্তন

নিউজ সোর্স

ড্রোন কীভাবে ভারত ও পাকিস্তানের সামরিক কৌশল বদলে দিচ্ছে? | আমার দেশ

বিবিসি বাংলা
প্রকাশ : ১৭ মে ২০২৬, ১০: ২৯
এক বছর আগে পাকিস্তানের কিছু স্থাপনায় হামলা চালায় ভারতীয় সামরিক বাহিনী, ভারতের দাবি অনুযায়ী যেগুলো ছিল- 'সন্ত্রাসবাদীদের শিবির'।
ভারতশাসিত কাশ্মীরের পহেলগামে ২০২৫ সালের ২২শে এপ্রিল বন্দুকধারীদের গুলি

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।