Web Analytics

ইসরাইলের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রপ্তানি থেকে আয় গত পাঁচ বছরে ১৩০ শতাংশ বেড়েছে। ২০২০ সালে এ আয় ছিল ৮৩০ কোটি ডলার, যা ২০২৫ সালে বেড়ে ১ হাজার ৯২০ কোটি ডলারে পৌঁছায়। গত বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত ইসরাইলি অস্ত্রের অন্যতম বড় ক্রেতা হয়ে উঠেছে।

‘ডিফেন্স ডিভিডেন্ডস অব দ্য আব্রাহাম অ্যাকর্ডস’ শিরোনামের প্রতিবেদনে গাজায় হামাসের সঙ্গে যুদ্ধের পাশাপাশি হিজবুল্লাহ, হুথি ও ইরানের সঙ্গে সংঘাতের সময়ে ইসরাইলের প্রতিরক্ষা শিল্পের কার্যক্রম বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে। আব্রাহাম চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী আমিরাত, বাহরাইন ও মরক্কো ইসরাইলের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র ক্রেতা হলেও এ তিন দেশের মধ্যে আমিরাত সবচেয়ে বেশি অস্ত্র কিনেছে।

২০২২ সালে রাফায়েল অ্যাডভান্সড ডিফেন্স সিস্টেমস আমিরাতের কাছে মাঝারি পাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা স্পাইডার এমআর বিক্রি করে। একই বছরে এলবিট সিস্টেমস, ইসরাইল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজসহ আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি রপ্তানি করে। অস্ত্র বেচাকেনার বাইরে প্রতিরক্ষা সহযোগিতাও বাড়ছে; আমিরাতের ইডিজিই অন্তত আটটি ইসরাইলি প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করেছে।

04 Oct 26 1NOJOR.COM

২০২৫ সালে ইসরাইলের প্রতিরক্ষা রপ্তানি আয় ১ হাজার ৯২০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে

নিউজ সোর্স

ইসরাইলের অস্ত্র রপ্তানি বেড়েছে ১৩০ শতাংশ, বড় ক্রেতা আমিরাত

গাজা যুদ্ধসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সংঘাতের মধ্যে গত পাঁচ বছরে ইসরাইলের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রপ্তানি বেড়েছে ১৩০ শতাংশ। ২০২০ সালে দেশটির প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রপ্তানি থেকে আয় হয়েছিল ৮৩০ কোটি ডলার। ২০২৫ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ৯২০ কোটি ডলারে। এই অস্ত্রের

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।