Web Analytics

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫–এ চূড়ান্তভাবে সুপারিশ পাওয়া বেশিরভাগ প্রার্থী নিয়োগ পেলেও অনেকে এখনো নিয়োগপত্র পাননি। এতে চাকরিতে যোগদান নিয়ে তারা অনিশ্চয়তায় রয়েছেন। রংপুরের পীরগঞ্জের আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, উপজেলা ও জেলা শিক্ষা অফিস এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে যোগাযোগ করেও তিনি কোনো সমাধান পাননি।

মামুনের দাবি, তাঁর বাবা জামায়াতে ইসলামীর ইউনিয়ন সভাপতি হওয়ায় রাজনৈতিক পরিচিতির কারণে তাঁকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে তিনি কোনো লিখিত সিদ্ধান্ত বা সরকারি ব্যাখ্যা পাননি। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, একই উপজেলায় সুপারিশ পাওয়া অন্যরা নিয়োগ পেলেও তিনি বাদ পড়েছেন। গাইবান্ধা, পঞ্চগড়, ভোলা, খুলনা ও জামালপুরের কয়েকজন প্রার্থীও নিয়োগপত্র না পাওয়ার কথা জানিয়েছেন।

৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত চূড়ান্ত ফলে ৬১ জেলায় ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়। ২৪ সেপ্টেম্বর নিয়োগপত্র দেওয়া শুরু হলে বহু প্রার্থীর নাম তালিকায় না থাকায় আন্দোলন হয়। ১ অক্টোবর নিয়োগপত্র পাওয়া প্রার্থীদের যোগদান শুরু হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন বলেছেন, যাচাই-বাছাই শেষে বাকি উত্তীর্ণ প্রার্থীদেরও পর্যায়ক্রমে দ্রুত নিয়োগপত্র দেওয়া হবে।

04 Oct 26 1NOJOR.COM

চূড়ান্ত সুপারিশ পাওয়া অনেক প্রাথমিক শিক্ষক প্রার্থী এখনো নিয়োগপত্রের অপেক্ষায়

নিউজ সোর্স

নিয়োগপত্র না পাওয়ায় অনিশ্চয়তায় প্রার্থীরা

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫–এ চূড়ান্তভাবে সুপারিশ পাওয়া বেশিরভাগ প্রার্থীকেই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তাদের অনেকেই এখনো নিয়োগপত্র পাননি। নিয়োগপত্র না পাওয়ায় চাকরিতে নিযুক্তিতে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন প্রার্থীরা।
তাদের একজন রংপুরের

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।