Web Analytics

২০২৬ সালের মৌসুমের শুরুতেই আগাম বৃষ্টিপাত হওয়ায় বাংলাদেশের চা শিল্পে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। চট্টগ্রাম, সিলেট, পঞ্চগড় ও মৌলভীবাজারসহ প্রধান চা উৎপাদন অঞ্চলে অনুকূল আবহাওয়া বিরাজ করছে। বছরের প্রথম দুই মাসে আগের বছরের তুলনায় ২ লাখ ৫৮ হাজার কেজি বেশি চা উৎপাদিত হয়েছে। ২৭ এপ্রিল অনুষ্ঠিত মৌসুমের প্রথম নিলামে ওঠা চায়ের ৯৫ শতাংশ বিক্রি হয়েছে। বাংলাদেশ চা বোর্ড চলতি মৌসুমে ১০ কোটি ৪০ লাখ কেজি চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে, যা গত বছরের তুলনায় সামান্য বেশি।

চা বোর্ড ও শিল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, অনুকূল আবহাওয়া অব্যাহত থাকলে এ বছর রেকর্ড পরিমাণ চা উৎপাদন সম্ভব। তবে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, অবৈধ চা বিক্রি ও বাজার ব্যবস্থাপনায় অসংগতি শিল্পের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকার সিলেট ও চট্টগ্রামের চায়ের সর্বোচ্চ দর কেজিপ্রতি ২৪৫ টাকা এবং পঞ্চগড়ের জন্য ১৭০ টাকা নির্ধারণ করেছে।

চা বোর্ড জৈব সার ও সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে, যাতে চায়ের মান ও উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। অনুকূল আবহাওয়া অব্যাহত থাকলে দেশীয় চাহিদা পূরণের পাশাপাশি রপ্তানিতেও ইতিবাচক ফল আসতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

10 May 26 1NOJOR.COM

আগাম বৃষ্টিতে দুই বছরের ঘাটতি পেরিয়ে রেকর্ড চা উৎপাদনের আশায় বাংলাদেশ

নিউজ সোর্স

আগাম বৃষ্টিতে এবার চা উৎপাদনে আশার আলো | আমার দেশ

এম কে মনির, চট্টগ্রাম
প্রকাশ : ১০ মে ২০২৬, ০৯: ৪০আপডেট : ১০ মে ২০২৬, ০৯: ৪৩
প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে গত মৌসুমে দেশে চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। তবে চলতি মৌসুমের শুরুতেই আগাম বৃষ্টিপাত হওয়ায় চা শিল্পে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। বাগান মালিক, চা ন

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।