Web Analytics

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার বাইশগাঁও ইউনিয়নের শরীফপুর গ্রামে অবস্থিত গায়েবি মসজিদটি মুঘল আমলের স্থাপত্য ও নাটেশ্বর দিঘির পাশের অবস্থানের কারণে মুসল্লি ও দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করছে। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের কুমিল্লা কার্যালয় ও স্থানীয় সূত্র বলছে, মসজিদটি ১৬৫৭ সালে নির্মিত; তবে এলাকাবাসীর একটি অংশ ১৬৫৮ সালের কথা উল্লেখ করেন। চুন-সুরকির এই প্রায় ৪০০ বছরের পুরোনো স্থাপনাটি পুরাকীর্তি হিসেবে সংরক্ষিত।

তিন জেলার মিলনাঞ্চলের কাছে অবস্থিত মসজিদটি ৩৫ দশমিক ২৯ একরের নাটেশ্বর দিঘির পূর্ব-উত্তর কোণে দাঁড়িয়ে আছে। এতে তিনটি গম্বুজ, পূর্বদিকে তিনটি খিলানযুক্ত প্রবেশদ্বার এবং পশ্চিমে তিনটি মেহরাব রয়েছে। চার কোণে চারটি বড় অষ্টভুজাকার মিনার ও কেন্দ্রীয় প্রবেশপথের ওপর আরও দুটি অষ্টভুজাকার মিনার আছে। সামনের দেয়ালের ফারসি শিলালিপিতে প্রতিষ্ঠাতা হায়াতে আবদুল করিমের নাম লেখা রয়েছে।

মসজিদের উৎপত্তি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ভিন্ন মত প্রচলিত। কেউ এটিকে হজরত শাহ শরীফ বাগদাদী (র.)-এর ইশারায় প্রতিষ্ঠিত গায়েবি মসজিদ বলেন; তাঁর মাজার দিঘির পূর্ব পাড়ে। পরিচালনা কমিটির ভাষ্য অনুযায়ী, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর রক্ষণাবেক্ষণ ও ইমাম-মুয়াজ্জিনের বেতন দেখাশোনা করে এবং পাঁচ বছর আগে সংস্কার করেছে। স্থানীয়রা জরুরি সংস্কার ও এলাকাটিকে ঘিরে প্রত্ন পর্যটন কেন্দ্র গড়ার দাবি জানিয়েছেন।

30 Aug 26 1NOJOR.COM

কুমিল্লার প্রাচীন গায়েবি মসজিদে মুসল্লি ও দর্শনার্থীদের ভিড়

নিউজ সোর্স

কালের সাক্ষী মনোহরগঞ্জের ৪০০ বছর আগের গায়েবি মসজিদ

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জের বাইশগাঁও ইউনিয়নের শরীফপুর গ্রামে কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে মনোহরগঞ্জের ৪০০ বছর আগের গায়েবি মসজিদ। মসজিদের নান্দনিক সৌন্দর্য দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে। তাই এই মসজিদে প্রতিদিনই মুসল্লিদের ভিড় জমে উঠে।
জানা গেছে, কালের সাক্ষী

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।