Web Analytics

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ পঞ্চম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন। তিনি জানান, ২০১৬ সালের ২০ জুন আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনামূলক ফেসবুক পোস্টের কারণে তাকে গুম করা হয়। নির্জন কক্ষে রেখে তাকে মারধর ও ইলেকট্রিক শকসহ ভয়াবহ নির্যাতন করা হয় এবং জঙ্গি হিসেবে স্বীকারোক্তি দিতে চাপ দেওয়া হয়।

জবানবন্দিতে তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় হাতকড়া পরিয়ে রাখা হতো, রমজানে রোজা রাখতে না দেওয়ায় মারধর করা হতো এবং ভয় দেখাতে মৃতদেহের ছবি দেখানো হতো। পরে র‍্যাব সদস্যরা সাংবাদিকদের সামনে তাকে গ্রেপ্তার দেখায় এবং অস্ত্র, বিস্ফোরক ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দেয়। ২৫ মাস জেলে থাকার পর জামিনে মুক্তি পেলেও কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট তাকে আবার ১৬ দিন আটক রাখে এবং পরে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়।

তিনি অভিযোগ করেন, র‍্যাবের ইন্টেলিজেন্স উইং, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও তৎকালীন সরকার তার গুমের সঙ্গে জড়িত ছিল এবং তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

23 Jun 26 1NOJOR.COM

২০১৬ সালের গুম ও নির্যাতন নিয়ে ট্রাইব্যুনালে মাহমুদুল হাসানের জবানবন্দি

নিউজ সোর্স

আমাকে ইলেক্ট্রিক শক দিয়ে বিবস্ত্র করে ঝুলিয়ে রাখতো | আমার দেশ

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ : ২২ জুন ২০২৬, ২০: ২৮
আওয়ামী সরকারের সমালোচনা করে ফেসবুকে লেখালেখি করার কারণে ২০১৬ সালের ২০ জুন গুম করা হয় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসানকে। এরপর নির্জন কক্ষে গুম রেখে তার ওপর অবর্ণনীয় নির্যাতন করা হয়। মাঝেমাঝে

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।