Web Analytics

আলী ওসমান শেফায়েতের এই লেখায় ১৯৮১ সালের মে মাসের ঘটনাবলি পুনরালোচিত হয়েছে, যখন বঙ্গোপসাগরে জেগে ওঠা দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ নিয়ে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব সংকট দেখা দেয় এবং একই মাসে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সেনা অভ্যুত্থানে নিহত হন। লেখায় বলা হয়, ভারত দ্বীপে বাহিনী মোতায়েন করলে জিয়া দৃঢ় অবস্থান নেন এবং বাংলাদেশের নৌবাহিনীর গানবোট পাঠিয়ে সরাসরি প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের নেতৃত্বে এই প্রতিরোধের মুখে ভারত পিছু হটে এবং দ্বীপটিকে ‘নো ম্যানস ল্যান্ড’ ঘোষণা করে।

লেখক জিয়ার এই আপসহীন অবস্থানকে তার বৃহত্তর আঞ্চলিক দৃষ্টিভঙ্গির অংশ হিসেবে দেখিয়েছেন, যেখানে তিনি সার্ক গঠনের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ায় ভারসাম্যপূর্ণ কাঠামো গড়তে চেয়েছিলেন। ১৯৮১ সালের ৩০ মে তার হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশের সার্বভৌম অবস্থানকে দুর্বল করে দেয় এবং পরবর্তী সরকারগুলো তালপট্টি ইস্যুতে আগের মতো দৃঢ়তা দেখাতে ব্যর্থ হয়। ২০১৪ সালে সালিশি আদালতের রায়ে দ্বীপটি ভারতের ভাগে পড়ে। লেখাটি উপসংহারে বলে, জিয়া ও তালপট্টির ইতিহাস আজও বাংলাদেশের সার্বভৌম চেতনার প্রতীক।

23 Jan 26 1NOJOR.COM

জিয়াউর রহমানের মৃত্যু ও দক্ষিণ তালপট্টি ইস্যু বাংলাদেশের সার্বভৌম ইতিহাসে নতুন অধ্যায়

নিউজ সোর্স

জিয়া, তালপট্টি এবং অমীমাংসিত ইতিহাস | আমার দেশ

আলী ওসমান শেফায়েত
প্রকাশ : ২৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯: ০৭
আলী ওসমান শেফায়েত
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের কালপঞ্জিতে ১৯৮১ সালের মে মাস শুধু ক্যালেন্ডারের একটি পাতা নয়, বরং এটি সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং জাতীয়তাবাদী একজন নেতার ট্র্যাজিক মৃত্যুকে স্মরণ করার মাস।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।