Web Analytics

বাংলাদেশে টানা আট মাস ধরে কাঁচা পাট রপ্তানি বন্ধ থাকায় কৃষক, রপ্তানিকারক ও শ্রমিকদের মধ্যে চরম হতাশা দেখা দিয়েছে। জুট মিলগুলোকে কাঁচামালের সংকট থেকে রক্ষা করতে সরকার এই নিষেধাজ্ঞা দেয়, তবে এবার তা দীর্ঘস্থায়ী হয়ে পড়েছে। শুধুমাত্র টেলিগ্রাফিক ট্রান্সফার (টিটি) পাওয়া ১৮টি প্রতিষ্ঠানকে ৬ হাজার ৩৭৭ টন পাট রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে, যার বেশিরভাগই যাবে ভারতে। বাংলাদেশ জুট অ্যাসোসিয়েশন (বিজেএ) জানায়, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরের প্রজ্ঞাপনে কাঁচা পাটকে শর্তযুক্ত রপ্তানি পণ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়, ফলে রপ্তানি কার্যত বন্ধ হয়ে যায়।

বিজেএ চেয়ারম্যান খন্দকার আলমগীর কবির জানান, নিষেধাজ্ঞার কারণে ব্যবসায়ীরা ভাড়া, ব্যাংক ঋণের সুদ ও শ্রমিকদের বেতন পরিশোধে বিপাকে পড়েছেন। কৃষক ও সরবরাহকারীরা ক্ষতির মুখে পড়েছেন, কারণ মিল মালিকরা দাম কমিয়ে দিয়েছেন। প্রায় এক লাখ শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। আলমগীর কবির অভিযোগ করেন, সাবেক পাট উপদেষ্টা ব্যক্তিগত স্বার্থে এককভাবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ব্যবসায়ীরা নতুন সরকারের কাছে এলসি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।

রপ্তানি বন্ধ অব্যাহত থাকলে কৃষকরা পাট চাষে আগ্রহ হারাতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

06 May 26 1NOJOR.COM

আট মাসের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞায় বিপর্যস্ত বাংলাদেশের পাট খাত ও কৃষকরা

নিউজ সোর্স

কাঁচা পাট রপ্তানি বন্ধে হতাশায় কৃষক | আমার দেশ

এহতেশামুল হক শাওন, খুলনা
প্রকাশ : ০৬ মে ২০২৬, ০৩: ৫২
বিদেশে কাঁচা পাট রপ্তানি বন্ধ রয়েছে টানা ৮ মাস ধরে। জুট মিলগুলোকে কাঁচামাল সংকট থেকে বাঁচাতে সরকার মাঝেমধ্যে সিদ্ধান্ত নেয়। তবে সে সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকে সীমিত সময়ের জন্য। এবার দীর্ঘদিন অতিবাহিত হল