Web Analytics

পাবনার ঈশ্বরদীতে বিএনপির অভ্যন্তরীণ বিরোধ গত দুই বছরে ধারাবাহিক সংঘর্ষ, গুলিবিনিময়, হামলা, ভাঙচুর ও অস্ত্রের মহড়ায় রূপ নিয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। রাজনৈতিক প্রভাবের পাশাপাশি বালুমহাল, ঝুট ব্যবসা, টেন্ডার, পরিবহন স্ট্যান্ড ও মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে এই বিরোধ তীব্র হচ্ছে। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম শরিফকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়। তিনি আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

শরিফ ফেসবুক পোস্টে পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিবকে দায়ী করেছেন। স্থানীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, হাবিবের অনুসারী এবং জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া পিন্টুর অনুসারীদের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। প্রতিবেদনে ২০২৪ সালের আগস্টের পর থেকে একাধিক গুলিবিনিময়, আহত, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ এবং ছাত্রদল কর্মী শচীন বিশ্বাস নিহত হওয়ার ঘটনার উল্লেখ রয়েছে।

পিন্টুর ভাই ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্যসচিব মেহেদী হাসান অভিযোগ করেন, অস্ত্রধারীদের গ্রেপ্তার করা হলে তাদের ছাড়াতে হাবিব প্রভাব খাটান। হাবিব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, পিন্টুর চার ভাই দল থেকে বহিষ্কৃত এবং তারাই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত। ঈশ্বরদী থানার ওসি আশাদুর রহমান জানান, টহল ও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে; তবে পুরো ঈশ্বরদীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়েছে বলে তিনি মনে করেন না।

25 Aug 26 1NOJOR.COM

ঈশ্বরদীতে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘাতে গুলিবিনিময় ও জনআতঙ্ক বাড়ছে

নিউজ সোর্স

বিএনপির অভ্যন্তরীণ সংঘাতে আতঙ্কের জনপদ ঈশ্বরদী

পাবনার ঈশ্বরদীতে বিএনপির অভ্যন্তরীণ বিরোধ এখন আর দলীয় কোন্দলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। গত দুই বছরে দুই পক্ষের বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্যে একের পর এক সংঘর্ষ, গোলাগুলি, হামলা, ভাঙচুর আর অস্ত্রের মহড়ার ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে আতঙ্ক। রাজনৈতিক

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।