ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ বলেছেন, আল্লাহর মেহমান হজযাত্রীরা কোনো ধরনের কষ্ট, অবহেলা বা জুলুমের শিকার হলে তা সহ্য করা হবে না। মঙ্গলবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ২০২৭ সালের হজ কার্যক্রমে অংশ নেওয়া ৩০টি অ্যালায়েন্স বা লিড এজেন্সির জন্য হজযাত্রী কোটা বণ্টনসংক্রান্ত সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বেসরকারি হজ এজেন্সিগুলোকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে এবং মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় সব সহযোগিতা দিতে নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনার সব হজযাত্রীই সবার দায়িত্ব। কোনো হাজি যেন ভোগান্তিতে না পড়েন, সে জন্য এজেন্সিগুলোকে তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে।
তিনি সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনার সমন্বিত কাজ এবং সৌদি আরবের বিধিবিধান মেনে কার্যক্রম পরিচালনার ওপর জোর দেন। সিদ্ধান্ত বা কাজের অনুরোধ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বাস্তবায়নের ব্যবস্থা করতে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়ে তিনি অযথা হয়রানির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার জানান, সৌদি সরকারের প্রাথমিক নির্ধারণে বাংলাদেশের হজ কোটা ৭৮ হাজার ৫০০ জন। সরকারি অংশ বাদে অবশিষ্ট কোটা বেসরকারি এজেন্সিগুলোর মধ্যে বণ্টন হবে।
২০২৭ সালের হজযাত্রীদের সেবা ও সুরক্ষায় কঠোর নির্দেশ ধর্মমন্ত্রীর
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।