Web Analytics

জার্মানিতে ডানপন্থী রাজনীতির উত্থান এবং মূলধারার দলগুলোর কঠোর অভিবাসন ও নিরাপত্তানীতির ফলে মুসলিম জনগোষ্ঠী বাড়তি রাজনৈতিক ও সামাজিক চাপের মুখে পড়ছে। গত ৬ সেপ্টেম্বর স্যাক্সনি-আনহাল্টের রাজধানী ম্যাগডেবার্গে রাজ্য নির্বাচনে এএফডি ৪৩ দশমিক ৮ শতাংশ ভোট পেয়ে বড় জয় উদ্‌যাপন করে। চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎসের সিডিইউ পায় ১৭ দশমিক ২ শতাংশ এবং এসপিডি পায় ৯ দশমিক ৩ শতাংশ ভোট।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এএফডির সমর্থন কমাতে গত দুই বছর মূলধারার দলগুলো আশ্রয় আইন কঠোর করা, বহিষ্কার কার্যক্রম জোরদার এবং সিরিয়া ও আফগানিস্তানে প্রত্যাবাসন ত্বরান্বিত করার উদ্যোগ নেয়। এতে জার্মানির প্রায় ৫৫ লাখ মুসলমানের রাজনৈতিক পরিসর সংকুচিত হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে স্থলসীমান্তে পুলিশি নিয়ন্ত্রণ বাড়ানো হয়, আর মের্ৎস সীমান্তে আশ্রয়প্রার্থীদের প্রবেশ প্রত্যাখ্যানসহ কঠোর নীতির দাবি তুলেছিলেন।

বার্লিনভিত্তিক একটি নাগরিক সংগঠন জানিয়েছে, ২০২৫ সালে মুসলমানদের বিরুদ্ধে ৪ হাজার ৯৬টি ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে, যা এক বছরে ৩৩ শতাংশ বেশি। এর মধ্যে ২১৪টি শারীরিক হামলা ও পাঁচটি মসজিদে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ছিল। মুসলিম প্রতিনিধি ও আইনবিশেষজ্ঞরা বর্জনমূলক বক্তব্য নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন। আস্থা ফেরাতে বাতিল যুব প্রকল্পের চুক্তি পুনর্বহাল এবং মুসলিম প্রতিনিধিদের সমঅধিকারভিত্তিক অংশীদার হিসেবে যুক্ত করার প্রস্তাব উল্লেখ করা হয়েছে।

16 Sep 26 1NOJOR.COM

ডানমুখী রাজনীতি ও কঠোর অভিবাসননীতিতে জার্মানির মুসলিমদের ওপর চাপ বাড়ছে

নিউজ সোর্স

জার্মানিতে ক্রমেই কোণঠাসা হচ্ছে মুসলিমরা

জার্মানির রাজনীতিতে ডানপন্থী উত্থানের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ছে দেশটির মুসলিম জনগোষ্ঠীর ওপর। একদিকে কট্টর ডানপন্থী দল অলটারনেটিভ ফর জার্মানি (এএফডি) ‘পুনঃঅভিবাসন’ বা রিমিগ্রেশনের নামে অভিবাসীদের দেশছাড়া করার দাবি তুলছে। অন্যদিকে মূলধারার মধ্যপন্থী দলগু

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।