Web Analytics

বাংলাদেশ ২০৩০ সালের মধ্যে প্রতিটি পরিবারের অন্তত একজন সদস্যকে সর্বজনীন পেনশন স্কিমের আওতায় আনতে চায়, যার লক্ষ্য প্রায় চার কোটি গ্রাহক। জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. সুরাতুজ্জামান আমার দেশকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, বিশেষ করে ৬০ বছরের বেশি বয়সীদের সামাজিক ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই অবদানভিত্তিক এই কর্মসূচি চালু করা হয়েছে।

বর্তমানে প্রগতি, সুরক্ষা, সমতা ও প্রবাস—এই চারটি স্কিমে গ্রাহক সংখ্যা তিন লাখ ৭৯ হাজার ৬৫৫ এবং জমা তহবিলের পরিমাণ ২৯১ কোটি ১৪ লাখ ২৬ হাজার টাকা। তিনি বলেন, তহবিল রাষ্ট্রীয়ভাবে গ্যারান্টিযুক্ত এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগ করা হয়। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বিনিয়োগের বিপরীতে গ্রাহকদের মুনাফার হার ১১ দশমিক ৭২ শতাংশ, যেখানে মূল্যস্ফীতি প্রায় ৮ থেকে ৯ শতাংশ।

প্রান্তিক মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে গণমাধ্যম, মেলা, সেমিনার ও সিম্পোজিয়ামের মাধ্যমে প্রচার চালানো হচ্ছে। প্রবাসীদের অংশগ্রহণ সহজ করতে দূতাবাসগুলোতে চিঠি পাঠানো এবং ট্রাস্ট ব্যাংকে বাংলা কিউআর কোড চালু করা হয়েছে। পাঁচ বছর চাঁদা দেওয়ার পর বিশেষ পরিস্থিতিতে অর্থ উত্তোলনের সুযোগ এবং সব স্কিমে শরিয়াহভিত্তিক সংস্করণ চালুর বিষয়েও কাজ চলছে।

21 Sep 26 1NOJOR.COM

২০৩০ সালের মধ্যে চার কোটি মানুষকে পেনশন স্কিমে আনতে চায় বাংলাদেশ

নিউজ সোর্স

২০৩০ সালের মধ্যে চার কোটি মানুষকে সর্বজনীন পেনশন স্কিমে আনা হবে

দেশের প্রান্তিক এবং সাধারণ মানুষের সামাজিক ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের প্রতিটি পরিবারের অন্তত একজন সদস্যকে সর্বজনীন পেনশন স্কিমের আওতায় আনার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।