Web Analytics

২০২৬ সালের ২১ মার্চ শনিবার কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা শিবিরগুলোতে ঈদুল ফিতর পালিত হয়েছে ভিন্ন এক আবহে। সকাল ৮টার পর বিভিন্ন শিবিরে ঈদের নামাজ আদায় করেন রোহিঙ্গারা। শিশুদের মুখে কিছুটা আনন্দ থাকলেও বড়দের চোখে ছিল কষ্ট ও স্বজনহারানোর বেদনা। রাখাইন রাজ্যে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনের স্মৃতি ও শরণার্থী জীবনের অভাব-অনটনে ঈদের আনন্দ ম্লান হয়ে যায়।

ঈদের জামাত শেষে অনেক ইমাম ও মুসল্লি কান্নায় ভেঙে পড়েন। তারা নির্যাতনের বিচার ও নিরাপদ, সম্মানজনক প্রত্যাবাসনের জন্য মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন এবং বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। কুতুপালং ক্যাম্পের বাসিন্দা ইউনুস আরমান বলেন, নিজ দেশে ঈদ উদযাপন আর ভিনদেশে ঈদ পালন এক নয়।

৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক রিয়াজ উদ্দিন আহমদ জানান, ঈদ উপলক্ষে ক্যাম্পগুলোতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং শান্তিপূর্ণভাবে জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। বর্তমানে উখিয়া ও টেকনাফের ৩২টি শিবিরে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বসবাস করছে।

21 Mar 26 1NOJOR.COM

কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের ঈদ উদযাপন, মিয়ানমারে ফেরার প্রার্থনা ও বেদনা

নিউজ সোর্স

মিয়ানমারে ফেরার আশায় ঈদ কাটাল রোহিঙ্গারা | আমার দেশ

ইব্রাহিম মোস্তফা, উখিয়া (কক্সবাজার)
প্রকাশ : ২১ মার্চ ২০২৬, ১৫: ৪৬
দেশব্যাপী পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে আজ শনিবার। তবে কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফে অবস্থিত রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরগুলোতে ঈদের আনন্দের পাশাপাশি বিরাজ করেছে গভীর বিষাদ। নিজ দেশ মিয়ানমার

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।