Web Analytics

একটি রাজনৈতিক কলামে লেখক ভিপি নুরসহ অন্যদের দেওয়া ‘গুপ্ত জামায়াত’ তকমা প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি দাবি করেন, তাঁর জীবন, শিক্ষা ও প্রতিষ্ঠানের কর্মকাণ্ড প্রকাশ্য ছিল এবং গোপন রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার সুযোগ ছিল না। লেখকের মতে, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা চাঁদাবাজ, রাজাকার ও গুপ্তের মতো তকমাকে পাল্টাপাল্টি রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে; বিএনপির ভেতরে গুপ্ত প্রভাবের অভিযোগ দলীয় বিভাজন বাড়াতে পারে বলেও তিনি আশঙ্কা করেন।

লেখক বলেন, ত্রিশাল ও ময়মনসিংহে তাঁর প্রতিষ্ঠিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে জামায়াতঘনিষ্ঠ বলে প্রচার করা হলেও সেখানে কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের মতাদর্শ প্রচারের নির্দেশ ছিল না। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ময়মনসিংহের প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে প্রায় ২০ হাজার শিক্ষার্থী বের হয়েছে এবং কেউ বলতে পারবে না যে সেখানে জামায়াতের দাওয়াত দেওয়া হয়েছে। তিনি শফিক রেহমানের সান্নিধ্যে বিএনপি ও খালেদা জিয়ার রাজনীতির প্রতি আকৃষ্ট হওয়ার কথাও উল্লেখ করেন।

কলামটিতে ২০১৩ সালে সিঙ্গাপুর থেকে ফেরার পর শাহবাগ মঞ্চে না যাওয়ার খালেদা জিয়ার সিদ্ধান্তের প্রশংসা করা হয়েছে। লেখক দাবি করেন, ওই সিদ্ধান্ত একটি বড় বিপর্যয় ঠেকিয়েছিল এবং এরপর তাঁকে ‘জামায়াতের মহিলা আমির’ বলা শুরু হয়। সংখ্যালঘু অধিকার ও ধর্মীয় সংবেদনশীলতার ক্ষেত্রে নেতাদের মন্তব্যের বদলে কাজের ওপর জোর দেওয়ার আহ্বানও জানানো হয়েছে।

22 Oct 26 1NOJOR.COM

গুপ্ত জামায়াত তকমা প্রত্যাখ্যান করে খালেদা জিয়ার ২০১৩ সালের অবস্থানের প্রশংসা

নিউজ সোর্স

বেগম জিয়া জীবিত থাকলে গুপ্ত স্লোগানের কী হতো

রাজনীতি নামক খেলাটিতে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করা স্বাভাবিক রীতি। জামায়াত-এনসিপি জোট বিএনপিকে চাঁদাবাজ হিসেবে ডাকতেই বেশি পছন্দ করে। ড. কনক সারওয়ারের সঙ্গে সর্বশেষ আলোচনা অনুষ্ঠানটিতে পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নের জন্যে ঢালাওভাবে পুরো দলটিকে চাঁদাবাজ ডাকা

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।