Web Analytics

স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও রাজনৈতিক কৌশল নিয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রধান দুই শরিক জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির মধ্যে দূরত্ব বাড়ছে। জোটগত সমঝোতার বদলে দলগুলো আলাদাভাবে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শীর্ষ নেতারা। তবে জামায়াত ও এনসিপি উভয়ই বলছে, এ মতপার্থক্যের কারণে জোট ভাঙবে না।

এনসিপি সমঝোতা বা পারস্পরিক বোঝাপড়ার ভিত্তিতে নির্বাচনে অংশ নিতে চেয়েছিল। দলটির নেতাদের মতে, আগের জাতীয় নির্বাচনে জামায়াতের সাংগঠনিক সহযোগিতা তাদের প্রার্থীদের ফলাফলে সহায়ক হয়েছিল। জামায়াত বলছে, জাতীয় নির্বাচনে আসন ছাড় দেওয়ায় তৃণমূলে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে; তাই স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে লড়ে সংগঠন শক্তিশালী করতে চায় তারা। বিরোধী দল হিসেবে সরকারের বিরুদ্ধে জামায়াতের অবস্থান নিয়েও এনসিপির একাংশের প্রশ্ন রয়েছে।

১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের পর সংরক্ষিত নারী আসনসহ ১১ দলীয় জোটের সংসদীয় আসন দাঁড়ায় ৭৭টি। জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বিরোধীদলীয় নেতা এবং এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ। দুই দলই স্থানীয় নির্বাচনের জন্য নিজস্ব প্রার্থী ও প্রস্তুতি এগিয়ে নিচ্ছে, যদিও স্থানীয় পর্যায়ে সমঝোতার সুযোগ খোলা রাখার কথা বলা হয়েছে।

06 Nov 26 1NOJOR.COM

স্থানীয় ভোটে আলাদা প্রস্তুতি নিলেও জোট ভাঙার গুঞ্জন নাকচ করেছে জামায়াত ও এনসিপি

নিউজ সোর্স

স্থানীয় ভোট ঘিরে দূরত্ব জামায়াত-এনসিপির

জাতীয় নির্বাচনে একসঙ্গে পথ চললেও স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রধান দুই শরিক জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মধ্যে দূরত্ব বাড়ছে। সমঝোতার বদলে এককভাবে নির্বাচন করার সিদ্ধান্তে জোটের ঐক্য ও ভবিষ্যৎ রাজন

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।