Web Analytics

আমার দেশ পত্রিকার এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা ঘিরে সৃষ্ট জ্বালানি সংকটের পেছনে বৈশ্বিক কারণের পাশাপাশি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেটও ভূমিকা রেখেছে। মার্চ থেকে মে ২০২৬ পর্যন্ত প্রায় দ্বিগুণ জ্বালানি আমদানি করা হলেও সংকট কাটেনি। সরকার ১৯ এপ্রিল তেলের দাম বাড়ানোর পর রাতারাতি পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যায়। চট্টগ্রাম কাস্টমসের তথ্য অনুযায়ী, ৭০ দিনে ৯৭টি জাহাজে ২৭ লাখ টনের বেশি জ্বালানি আমদানি হয়, তবুও সরবরাহে অস্থিরতা বজায় ছিল।

প্রতিবেদনটি দাবি করে, বৈধ বিপণনব্যবস্থার বাইরে চোরাই পথে আসা তেলই দেশের বড় অংশের বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে এবং এ খাতটি আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট প্রভাবশালী গোষ্ঠীর হাতে রয়েছে। অনেক সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও আমলাদের নামে জ্বালানিবাহী ট্যাংকার থাকার তথ্যও উঠে এসেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অদৃশ্য বাজার রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলোর সক্ষমতা দুর্বল করেছে এবং এটি দীর্ঘদিনের ‘ওপেন সিক্রেট’।

বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন, মনিটরিং জোরদার না হলে ভবিষ্যতে একই ধরনের সংকট আবার দেখা দিতে পারে। বিপিসি সংকটের দ্রুত সমাধান নিয়ে কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেনি।

24 May 26 1NOJOR.COM

জ্বালানি সংকটে আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ

নিউজ সোর্স

আওয়ামী মাফিয়াদের নিয়ন্ত্রণে জ্বালানি তেলের বাজার | আমার দেশ

সোহাগ কুমার বিশ্বাস, চট্টগ্রাম
প্রকাশ : ২৪ মে ২০২৬, ০৮: ৩৫আপডেট : ২৪ মে ২০২৬, ০৯: ২৫
মধ্যপ্রাচ্য সংকটকে কেন্দ্র করে দেশে তৈরি হওয়া জ্বালানি তেলের অস্থিরতার পেছনে শুধু বৈশ্বিক বাজার নয়, কাজ করেছে শক্তিশালী একটি অভ্যন্তরীণ সিন্ডিকেটও। সংকটের সে সময়ে স্

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।