Web Analytics

একটি প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, টাঙ্গাইলের প্রায় ৪০ লাখ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা আওয়ামী লীগপন্থি স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ বা স্বাচিপের প্রভাবে রয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, সিভিল সার্জনের কার্যালয়, মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতাল, ১২টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ১১১টি উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে স্বাচিপের প্রভাব রয়েছে; অন্যদিকে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ বা ড্যাবের সদস্যরা কোণঠাসা।

ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২৫ বস্তা মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ নদীতে ফেলার সময় ধরা পড়ার ঘটনার পর এ অভিযোগগুলো নতুন করে আলোচনায় আসে। এ ঘটনায় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবু নয়িম মোহাম্মদ সোহেলকে ওএসডি করা হয়েছে এবং তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। মির্জাপুরসহ সাতটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল, সার্জিকেল অ্যান্ড রিকোজিট টেন্ডারে অনিয়মের অভিযোগও উঠেছে।

সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১২ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অনুমোদিত ৪৫০টি পদের মধ্যে ১৭৭টি শূন্য। মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও জেনারেল হাসপাতালেও চিকিৎসকসংকটের তথ্য দেওয়া হয়েছে। সিভিল সার্জন ফরাজী মো. মাহবুবুল আলম মঞ্জু বলেন, টেন্ডারে অনিয়ম পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং তিনি স্বাচিপের সদস্য নন।

28 Sep 26 1NOJOR.COM

টাঙ্গাইলের স্বাস্থ্যসেবায় রাজনৈতিক প্রভাব, টেন্ডার অনিয়ম ও পদশূন্যতার অভিযোগ

নিউজ সোর্স

আওয়ামী ডাক্তারদের কাছে জিম্মি টাঙ্গাইলের ৪০ লাখ মানুষ

টাঙ্গাইলে ৪০ লাখ মানুষ চিকিৎসাসেবায় আওয়ামীপন্থি ডাক্তারদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন। হাসপাতালগুলোতে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপের) হাতে বন্দি রয়েছে রোগীরা। সিভিল সার্জনের কার্যালয়, মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল, উপ

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।