Web Analytics

আমার দেশের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, শেখ হাসিনার আমলে বাংলাদেশের সাবমেরিন ক্যাবল লাইসেন্সিং রাজনৈতিক প্রভাব ও অনিয়মের শিকার হয়েছিল। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২০ সালের অক্টোবরে বিটিআরসির এক সভায় তৎকালীন মন্ত্রী মোস্তফা জব্বারের সভাপতিত্বে এবং সজীব ওয়াজেদ জয়ের উপস্থিতিতে বেসরকারি খাতে লাইসেন্স দেওয়ার নির্দেশনা আসে। পরে ২০২২ সালে তিনটি বেসরকারি সাবমেরিন ক্যাবল লাইসেন্স দেওয়া হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্যান্ডউইথ চাহিদার যথার্থ মূল্যায়ন বা বিশেষজ্ঞ মতামত ছাড়াই গাইডলাইন সংশোধন ও আবেদন-সময়সীমা দুবার বাড়ানো হয়। সামিট কমিউনিকেশনস প্রথম, সিডিনেট দ্বিতীয় এবং মেটাকোর তৃতীয় হয়। প্রতিবেদনে এসব প্রতিষ্ঠানের মালিকানার সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে সংযুক্ত ব্যক্তিদের সম্পর্কের অভিযোগ তোলা হয়েছে। ফাইবার অ্যাট হোমের সিইও সুমন আহমেদ সাব্বির বলেন, লাইসেন্স দেওয়ার প্রক্রিয়াটি সঠিক ছিল না এবং তা পর্যালোচনা করা দরকার।

প্রতিবেদনে আরও অভিযোগ করা হয়, তিন লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠান যৌথ কনসোর্টিয়াম গঠন করেছে, যদিও গাইডলাইনে এমন বিধান নেই। ছয়টির বদলে তিনটি ফাইবার পেয়ার আনা এবং পূর্বমুখী কক্সবাজার-সিঙ্গাপুর রুট চালু করলেও পশ্চিমমুখী সংযোগ না করার অভিযোগও রয়েছে। বিটিআরসি চেয়ারম্যান এমদাদ উল বারী বলেন, তাঁর কাছে এমন কোনো অভিযোগ আসেনি।

16 Aug 26 1NOJOR.COM

সাবমেরিন ক্যাবল লাইসেন্সিংয়ে রাজনৈতিক প্রভাব ও নীতিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগ

নিউজ সোর্স

সাবমেরিন ক্যাবল আওয়ামী সিন্ডিকেটের দখলে | আমার দেশ

আবু সুফিয়ান
প্রকাশ : ১৬ আগস্ট ২০২৬, ০৯: ৩৪আপডেট : ১৬ আগস্ট ২০২৬, ০৯: ৩৫
ডিজিটাল নিরাপত্তার সবচেয়ে স্পর্শকাতর ও কৌশলগত খাত সাবমেরিন ক্যাবল লাইসেন্সিং প্রক্রিয়া শেখ হাসিনার আমলে পরিণত হয়েছিল রাজনৈতিক লুটপাটের ক্ষেত্রে। ২০২০ সালের অক্টোবরে বিটিআরসিতে

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।