Web Analytics

উৎসে বর্ণিত হয়েছে, মিসর, ইরাক, সিরিয়া এবং পরে আন্দালুসিয়ায় মুসলিম রাষ্ট্রের বিস্তারের সঙ্গে কৃষি ও সেচব্যবস্থার সংগঠিত উন্নয়ন ঘটে। শুষ্ক ও অর্ধশুষ্ক বহু অঞ্চলে পানির সংকট মোকাবিলায় খাল খনন, বাঁধ নির্মাণ, কূপ ও জলাধার স্থাপন, ভূগর্ভস্থ পানি আহরণ, নদী নিয়ন্ত্রণ এবং কৃষকদের রাষ্ট্রীয় সহায়তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

খুলাফায়ে রাশেদার যুগে আবু বকর যুদ্ধকালে কৃষকদের ক্ষেতখামার নষ্ট না করার নির্দেশ দিতেন। উমর ইবনুল খাত্তাব মিসরে পানি সরবরাহের অবকাঠামো নির্মাণ করেন এবং বসরার পানিসংকট নিরসনে গভর্নর আবু মুসা আশআরিকে দজলা থেকে আবলা খাল খননের নির্দেশ দেন। তিনি ভূমি জরিপ, খেরাজ সংস্কার, পতিত জমি আবাদ, দুর্ভিক্ষের জন্য শস্যভান্ডার এবং উদ্বৃত্ত অঞ্চল থেকে খাদ্য সরবরাহের উদ্যোগও নেন।

উমাইয়া যুগে মুআবিয়া সিরিয়া, হেজাজ ও ইরাকে বাঁধ, খাল ও জলাধার নির্মাণে বিনিয়োগ বাড়ান। দজলা-ফোরাতের মধ্যবর্তী পুরোনো খাল সংস্কার এবং পানি উঁচু জমিতে তোলার জন্য পার্সিয়ান হুইলের ব্যবহার শুরু হয়। ইয়াজিদের নাহরে ইয়াজিদ খাল গাওতা অঞ্চলের পতিত জমি আবাদে সহায়তা করে; পরবর্তী সময়ে মসুলে বড় খাল ও আরও বাঁধ নির্মিত হয়।

19 Sep 26 1NOJOR.COM

খাল, বাঁধ ও পতিত জমি আবাদে মুসলিম শাসনামলে কৃষি ও সেচের বিস্তার

নিউজ সোর্স

কৃষিকাজ ও সেচব্যবস্থার উন্নয়ন

মানবসভ্যতায় খাবার উৎপাদন ও পানি ব্যবস্থাপনা চিরকালই রাষ্ট্রশক্তির মেরুদণ্ড হিসেবে কাজ করে। যে সভ্যতা ভূমি ও জলসম্পদকে যতটা দক্ষতার সঙ্গে ব্যবহার করতে পারে, ততটাই সমৃদ্ধি ও স্থায়িত্ব অর্জন করা তার পক্ষে সম্ভব হয়। মুসলিম সভ্যতা যখন আরব উপদ্বীপের সীমান

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।