Web Analytics

রাজধানীর কাফরুলে দুই দশক আগে সৎমাকে হত্যার দায়ে মো. শামসুল হক জুয়েলকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার ঢাকার তেরো নম্বর অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জাহিদুল ইসলামের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। আদালত দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডসহ ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নির্দেশ দেন, যা হাইকোর্টের অনুমোদন সাপেক্ষে কার্যকর হবে।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, ২০০৫ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে বিদেশে যাওয়ার জন্য টাকার দাবি পূরণ না হওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে জুয়েল সৎমা সালেহা বেগমকে চাপাতি দিয়ে হত্যা করেন। নিহতের সন্তানরা আদালতে সাক্ষ্য দেন যে, তারা জুয়েলকে চাপাতি হাতে বাসা থেকে বের হতে দেখেছেন। গুরুতর আহত সালেহা বেগমকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরদিন নিহতের স্বামী আ. হক কাফরুল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন এবং ২০০৬ সালের মার্চে পুলিশ অভিযোগপত্র দাখিল করে।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে রাষ্ট্রপক্ষের ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণের পর প্রায় ২০ বছর পর মামলার রায় ঘোষণা করা হলো।

20 May 26 1NOJOR.COM

২০০৫ সালে সৎমা হত্যায় পলাতক ছেলেকে ঢাকায় মৃত্যুদণ্ড

নিউজ সোর্স

সৎমাকে হত্যার দায়ে ছেলের মৃত্যুদণ্ড | আমার দেশ

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ : ১৯ মে ২০২৬, ১৯: ৪৯
দুই দশক আগে রাজধানীর কাফরুলে বিদেশে যাওয়ার জন্য টাকা না পেয়ে সৎমাকে চাপাতি দিয়ে হত্যার ঘটনায় ছেলে মো. শামসুল হক জুয়েলকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে রায় ঘোষণা করেন আদালত। তবে রায় ঘোষণার সময় আসামি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধ

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।