Web Analytics

দিল্লিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে চলমান বিক্ষোভে আটক ছাত্রছাত্রী ও অন্যান্য বিক্ষোভকারীরা পুলিশের বিরুদ্ধে মারধর, ভয় দেখানো ও দুর্ব্যবহারের অভিযোগ করেছেন। বিক্ষোভ শুরু হয় ২ অক্টোবর এবং ১০ অক্টোবর তা তীব্র হয়। বিক্ষোভকারীরা কুমারের পদত্যাগ দাবি করেন এবং ভোটার তালিকা পুনর্বিবেচনা প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। কয়েকজন আটক ব্যক্তি শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখিয়েছেন এবং আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন।

১১ অক্টোবর আটক আম্বেদকর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শরণ্যা শর্মা অভিযোগ করেন, পুলিশ তার চুল ও পোশাক টেনেছে এবং বাসের দরজায় তার পা আটকে যায়। এসএফআইয়ের দিল্লি সভাপতি নাদিয়া মারধর, চিমটি কাটা ও হুমকির অভিযোগ করেন। পিএইচডি গবেষক নোভেল প্রায় তিন ঘণ্টা বাসে রেখে চড় ও মারধরের অভিযোগ করেন। সমাজকর্মী অর্জুন বুকে ও গোপনাঙ্গে লাথি, ঘুষি এবং গলা চেপে ধরার অভিযোগ তুলেছেন।

অভিযোগগুলোর বিষয়ে বিবিসির অনুরোধে দিল্লি পুলিশ কোনো জবাব দেয়নি। ১০ অক্টোবর যন্তর-মন্তরের বিক্ষোভের অনুমতি দেওয়া হয়নি এবং জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলার কথা বলে বিএনএসএসের ১৬৩ ধারা জারি ছিল। ১১ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, শান্তিপূর্ণ ও নিরস্ত্র বিক্ষোভকারীদের বেআইনিভাবে আটক করা যায় না; আটক হলে আইনি প্রক্রিয়া মানতে হবে।

15 Oct 26 1NOJOR.COM

দিল্লির বিক্ষোভকারীদের পুলিশি নির্যাতনের অভিযোগ, আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা

নিউজ সোর্স

পুলিশি নির্যাতনের বর্ণনা দিলেন ভারতের বিক্ষোভকারীরা

দিল্লিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে চলমান বিক্ষোভের সময়ে আটক হওয়া একাধিক ছাত্রছাত্রী ও বিক্ষোভকারী পুলিশের বিরুদ্ধে মারধর, দুর্ব্যবহার ও ভয় দেখানোর অভিযোগ তুলেছেন।
এদের মধ্যে কয়েকজন বিক্ষোভকারী তাদের শরীরে আঘাতের চিহ্নও দেখিয

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।