Web Analytics

বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন নৌ-অবরোধের মধ্যেও ইরানের অর্থনীতি তাৎক্ষণিকভাবে ভেঙে পড়বে না। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ শুরুর পর তেহরান কৌশলগত হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিলে যুক্তরাষ্ট্র ১২ এপ্রিল থেকে ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ আরোপ করে। শান্তি আলোচনায় ইরানকে চাপ দিতে ওয়াশিংটনের এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান আর্থিকভাবে ভেঙে পড়ছে। তবে ইরানি অর্থনীতিবিদ সাঈদ লায়লাজ বলেন, অবরোধ দুই থেকে তিন মাস স্থায়ী হলে ক্ষতি হতে পারে, কিন্তু পারস্য উপসাগরের দক্ষিণের দেশগুলোর ক্ষতি আরও বেশি হবে।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা জানান, খার্গ আইল্যান্ডে ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি টার্মিনালে মজুদ পূর্ণ হয়ে যেতে পারে। কেইপলারের তথ্যে দেখা গেছে, ইরানের অপরিশোধিত তেল উৎপাদন ইতোমধ্যে দৈনিক প্রায় দুই লাখ ব্যারেল কমেছে এবং এপ্রিলে আরও চার লাখ বিশ হাজার ব্যারেল কমতে পারে। তবে মিডল ইস্ট ইকোনমিক সার্ভের জেমি ইনগ্রাম বলেন, ইরান অতীতেও দীর্ঘমেয়াদি নিষেধাজ্ঞা সহ্য করেছে।

ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের আলী ভায়েজ জানান, সাধারণ মানুষের ওপর চাপ বাড়লেও ইরানের নেতৃত্ব অতীতে কঠিন অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছে এবং হরমুজ প্রণালিকে পাল্টা চাপের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।

24 Apr 26 1NOJOR.COM

মার্কিন নৌ-অবরোধেও ইরানের অর্থনীতি টিকে আছে, তেল উৎপাদন কমছে

নিউজ সোর্স

মার্কিন নৌ-অবরোধেও অটল ইরানের অর্থনীতি | আমার দেশ

আমার দেশ অনলাইন
প্রকাশ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১৬: ১৫
ইরানের বন্দরগুলোতে মার্কিন নৌ-অবরোধের কারণে আগামী সপ্তাহগুলোতে দেশটির তেল উৎপাদন কমে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও, তেহরানের অর্থনীতি এখনই মুখ থুবড়ে পড়বে-এমন দাবিকে ‘অপরিণত’ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
মধ্যপ্রাচ

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।