Web Analytics

বড় শিল্পগোষ্ঠীর পরিশোধন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও নিজস্ব বিতরণব্যবস্থা বিস্তারের ফলে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী খাতুনগঞ্জ বাজার টিকে থাকার কঠিন লড়াইয়ে পড়েছে। একসময় দেশের আমদানিনির্ভর নিত্যপণ্যের ৭৫ থেকে ৮০ শতাংশ বেচাকেনা হতো এখানে। চট্টগ্রাম কাস্টমসের তথ্য বলছে, ছয়টি প্রধান নিত্যপণ্যের আমদানিতে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীদের অংশ ২০০২-০৩ অর্থবছরের ৬২ শতাংশ থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৩৩ শতাংশে নেমেছে।

চাল, ডাল, গম, সয়াবিন তেল, পামতেল ও চিনির মোট আমদানি এ সময়ে প্রায় ২০ লাখ টন থেকে বেড়ে ৯৬ লাখ টনে দাঁড়িয়েছে। চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীদের আমদানি ১২ লাখ টন থেকে ৩২ লাখ টনে বাড়লেও সামগ্রিক প্রবৃদ্ধির সঙ্গে তাল মেলাতে পারেনি। চেম্বার সভাপতি আমিরুল হক ঋণ পরিশোধ না করা, ব্যবসার নামে লুটপাট, লাইসেন্স প্রথা বিলোপ এবং ঢাকা ও অন্য অঞ্চলে আমদানিকারক বৃদ্ধিকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন।

পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি ও ব্যবসায়ীদের পারস্পরিক আস্থা কমাও চাপ বাড়িয়েছে। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, ট্রাকের ওজনসীমায় প্রতি টনের খরচ বাড়ছে এবং কিছু আমদানিকারক লাইটার জাহাজে পণ্য সরাসরি নারায়ণগঞ্জ বা যশোরে পাঠাচ্ছেন। ২০১৯ সাল পর্যন্ত ৬৮টি আর্থিক প্রতারণার ঘটনা সামনে আসে বলে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর তথ্য।

16 Oct 26 1NOJOR.COM

শিল্পগোষ্ঠীর উত্থান ও বাড়তি ব্যয়ে খাতুনগঞ্জের আমদানি বাণিজ্য চাপে

নিউজ সোর্স

ঐতিহ্যের বাজারে মন্দা, টিকে থাকার লড়াই খাতুনগঞ্জের

এক সময় দেশের আমদানিনির্ভর নিত্যপণ্যের ৭৫-৮০ শতাংশ বেচাকেনা হতো চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে। দুই শতাব্দীর বেশি পুরোনো এই বাজারে চাল, ডাল, গম, চিনি ও ভোজ্যতেলের ব্যবসা ছিল মূলত আড়তদারদের নিয়ন্ত্রণে।
কিন্তু সময়ের সঙ্গে বদলে গেছে বাজারের কাঠামো। আমদানি, পরিশো

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।