Web Analytics

বাংলাদেশে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বার্ষিকী নানা কর্মসূচি, গণমাধ্যম আলোচনা ও সাংস্কৃতিক উদ্যোগের মাধ্যমে পালিত হচ্ছে। তবে লেখক সতর্ক করেছেন, এই স্মরণচর্চার মাঝেও সবচেয়ে জরুরি কাজ—অভ্যুত্থানকে সম্ভব করে তোলা সাধারণ মানুষের জীবন্ত স্মৃতি সংরক্ষণ—এখনো উপেক্ষিত। তিনি বলেন, এখনই একটি জাতীয় মৌখিক ইতিহাস আর্কাইভ গঠন করা প্রয়োজন, যাতে প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণকারী ও সাক্ষীদের অভিজ্ঞতা পেশাদারভাবে নথিভুক্ত করা যায়।

প্রবন্ধে বলা হয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থান কেবল রাজনৈতিক পরিবর্তন নয়, বরং নাগরিক জাগরণের এক গভীর অধ্যায়, যেখানে ছাত্র, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষ দমন-পীড়নের মুখেও রাস্তায় নেমেছিল। সরকারি ইতিহাস প্রায়ই মানবিক গভীরতাকে আড়াল করে, ফলে স্মৃতি সংরক্ষণ না হলে তা বিকৃত বা মুছে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। লেখক সংস্কৃতি ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়, বিশ্ববিদ্যালয়, ইতিহাসবিদ ও সাংবাদিকদের যৌথ উদ্যোগে সাক্ষ্য সংগ্রহের আহ্বান জানান।

প্রবন্ধে বলা হয়েছে, এই আর্কাইভ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে জুলাইকে দলীয় নয়, বরং জনগণের আন্দোলন হিসেবে বুঝতে সাহায্য করবে। লেখকের মতে, সাক্ষীরা এখনো জীবিত থাকায় বাংলাদেশকে এখনই এই কাজ শুরু করতে হবে।

23 Jul 26 1NOJOR.COM

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে জাতীয় আর্কাইভ গঠনের আহ্বান

নিউজ সোর্স

জুলাইয়ের জনতার আর্কাইভ কেন জরুরি | আমার দেশ

ইশফাক ফারহান সিয়াম
প্রকাশ : ২৩ জুলাই ২০২৬, ১১: ৪৩
বাংলাদেশ আজ নানা উপায়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে স্মরণ করছে। ফেসবুকের পোস্ট, টেলিভিশনের টক শো, গ্রাফিতি সংসদ, জনসমাবেশে, প্রামাণ্যচিত্র এবং জুলাইয়ের অর্থ ও নেতৃত্ব নিয়ে চলমান রাজনৈতিক দাবি-দাওয়ায় সেই স্মৃত

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।