Web Analytics

মিসরের কায়রোর রাবা আল-আদাবিয়া স্কয়ারে ২০১৩ সালের রক্তাক্ত অভিযানের ১৩ বছর পূর্তিতে নিহত ও বন্দি পরিবারের সদস্যরা রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি দাবি করেছেন। ১৬ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, স্বজন হারানোর বেদনার সঙ্গে বহু পরিবারের দীর্ঘ রাজনৈতিক বন্দিত্বের যন্ত্রণা যুক্ত হয়েছে। পরিবারগুলোর দাবি, রাবার ঘটনার প্রকৃত বিচার এবং বন্দিদের মুক্তি ছাড়া সমাজের দীর্ঘদিনের ক্ষত নিরাময় সম্ভব নয়।

২০১৩ সালের ১৪ আগস্ট রাবা আল-আদাবিয়া ও আল-নাহদা স্কয়ারে ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসির সমর্থকদের শান্তিপূর্ণ সমাবেশে নিরাপত্তা বাহিনী হামলা চালায়। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর হিসাবে শত শত মানুষ নিহত হন। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের হিসাবে নিহতের সংখ্যা অন্তত ৮১৭, যা এক হাজারের বেশি হতে পারে। সংগঠনগুলোর অভিযোগ, অভিযানের সঙ্গে জড়িত কোনো নিরাপত্তা সদস্য বা দায়িত্বশীল কর্মকর্তাকে জবাবদিহির আওতায় আনা হয়নি।

গত জুলাইয়ে মানবাধিকারকর্মীরা সব রাজনৈতিক বন্দির মামলা ন্যায়সংগত ও স্বচ্ছভাবে পর্যালোচনা করে মুক্তির দাবিতে প্রচারণা শুরু করেন। এর আগে মে মাসে কায়রোয় পরিবারের সমাবেশের পর কয়েকজন আয়োজক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ ও আটক করা হয় বলে জানিয়েছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। প্রতিবেদনে মিসরের কারাগারে ৬০ হাজারের বেশি রাজনৈতিক বন্দি, যার মধ্যে এক হাজারের বেশি নারী, থাকার কথা বলা হয়েছে।

16 Aug 26 1NOJOR.COM

রাবা হত্যাকাণ্ডের ১৩ বছর পূর্তিতে মিসরে রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি দাবি পরিবারের

নিউজ সোর্স

মিসরে রাবা গণহত্যার ১৩ বছর, রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি দাবি পরিবারের | আমার দেশ

আমার দেশ অনলাইন
প্রকাশ : ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১০: ০৫আপডেট : ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১০: ২০
১৩ বছর পেরিয়ে গেছে। কিন্তু কায়রোর রাবা আল-আদাবিয়া স্কয়ারে রক্তাক্ত সেই দিনের স্মৃতি এখনো মুছে যায়নি। স্বজন হারানোর বেদনার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দীর্ঘ কারাবাসের যন্ত্রণা। রাবা হত্

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।