Web Analytics

চীনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় জিনজিয়াং উইঘুর স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল উইঘুর ও অন্যান্য তুর্কি মুসলিম জনগোষ্ঠীর অধিকার নিয়ে আন্তর্জাতিক উদ্বেগের কেন্দ্রে রয়েছে। সূত্রে বলা হয়েছে, ২০১৪ সালে সহিংস সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করার পর চীন নিরাপত্তা ও নজরদারি জোরদার করে; ২০১৭ সাল থেকে রাজনৈতিক বা বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণকেন্দ্রে ব্যাপক আটকের খবর আলোচনায় আসে। বেইজিং বলছে, এসব নীতি সন্ত্রাসবাদ ও উগ্রবাদ প্রতিরোধ, শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং স্থিতিশীলতা বৃদ্ধির জন্য নেওয়া হয়েছে।

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক দপ্তরের ২০২২ সালের মূল্যায়নে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের কথা বলা হয়, যা মানবতাবিরোধী অপরাধসহ আন্তর্জাতিক অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে। তবে এটি আদালতের চূড়ান্ত রায় নয়। চীন ওই মূল্যায়ন প্রত্যাখ্যান করেছে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ২৭ আগস্ট ২০২৬-এর প্রতিবেদনে নির্বিচার আটক, অন্যায্য কারাদণ্ড, ব্যাপক নজরদারি এবং ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক জীবনের ওপর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে উদ্বেগ জানায়।

সূত্রে ধর্মচর্চার বিধিনিষেধ, উইঘুর ভাষার শিক্ষা, আবাসিক বিদ্যালয়, ডিজিটাল নজরদারি, পরিবার বিচ্ছিন্নতা ও জোরপূর্বক শ্রমের অভিযোগও তুলে ধরা হয়েছে। চীন ধর্মীয় স্বাধীনতা সুরক্ষা এবং কর্মসংস্থান কর্মসূচির কথা বলেছে। আটক ব্যক্তিদের পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনভাবে যাচাইকৃত তালিকা না থাকায় পরিস্থিতির স্বচ্ছ মূল্যায়ন এখনো কঠিন।

23 Oct 26 1NOJOR.COM

জিনজিয়াংয়ে আটক, নজরদারি ও ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ অব্যাহত

নিউজ সোর্স

থেমেছে কি ভাগ্যবিড়ম্বিত উইঘুরদের কান্না, বদলেছে কি জিনজিয়াংয়ের পরিস্থিতি

চীনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জিনজিয়াং উইঘুর স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। মধ্য এশিয়ার সঙ্গে ঐতিহাসিক যোগাযোগ, প্রাচীন সিল্ক রোডের বাণিজ্যপথ এবং তুর্কি ভাষাভাষী জনগোষ্ঠীর বসবাসের কারণে অঞ্চলটির রয়েছে স্বতন্ত্র সাংস্কৃতিক পরিচয়। এখানকার প্রধান জনগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।