Web Analytics

২০২৬ সালের ৫ জুলাই প্রকাশিত এক মতামতধর্মী নিবন্ধে বৈশ্বিক রাজনীতিতে পররাষ্ট্রনীতির কৌশলগত গুরুত্ব ও বাস্তবতা বিশ্লেষণ করা হয়েছে। লেখক উল্লেখ করেন, প্রতিটি রাষ্ট্রই সময় ও স্বার্থের প্রেক্ষাপটে নিজস্ব পররাষ্ট্রনীতি প্রণয়ন করে। বাংলাদেশের ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়’ নীতিটি বর্তমান বাস্তবতায় জাতীয় স্বার্থকে কতটা প্রতিফলিত করছে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। সরকারের ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিকে সময়োপযোগী সংশোধন হিসেবে দেখা হলেও এর বাস্তব প্রতিফলন নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে।

নিবন্ধে ভিয়েতনামের ১৯৭৫ সালের পর গৃহীত স্বাধীন ও কৌশলগত পররাষ্ট্রনীতির উদাহরণ তুলে ধরে বলা হয়েছে, দেশটি নিজস্ব নীতি অনুসরণ করে উন্নয়নের প্রায় সব সূচকে অগ্রগতি অর্জন করেছে। অপরদিকে, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা ও তিস্তা নদীর পানিবণ্টন ইস্যুতে বিলম্বকে পররাষ্ট্রনীতিগত ব্যর্থতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। লেখকের মতে, প্রতিযোগিতামূলক ও কৌশলগত পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করলে বাংলাদেশ বাণিজ্য ও কূটনীতিতে সমমর্যাদার অবস্থান অর্জন করতে পারত।

নিবন্ধটি উপসংহারে বলেছে, বাইরের চাপ অতিক্রম করে জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়াই বাংলাদেশের স্বাধীন ও টেকসই উন্নয়নের পূর্বশর্ত।

05 Jul 26 1NOJOR.COM

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ও ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিশ্লেষণমূলক প্রশ্ন উত্থাপন

নিউজ সোর্স

পররাষ্ট্রনীতির বৈশ্বিক বাস্তবতায় আমাদের অবস্থান | আমার দেশ

মো. দ্বীন ইসলাম
প্রকাশ : ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৮: ৫৪
বিশ্ব রাজনীতিতে সময় ও চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে বাস্তবভিত্তিক পররাষ্ট্রনীতি প্রণয়ন একটি কৌশলগত বিষয়। কোনো নির্দিষ্ট সময়ে একটি রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিই বলে দেয়, সে সময়ের প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রটির লক্ষ্য কী।
প্রা

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।