Web Analytics

২০২৬ সালের ৬ মে বিজেপি প্রথমবারের মতো পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ১৯৫০ সালের গরু জবাই নিয়ন্ত্রণ আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন। এই আইনে সরকারি অনুমোদন ছাড়া কোনো পশু জবাই করা যাবে না এবং তা নির্দিষ্ট স্থানে করতে হবে। ঈদুল আজহা সামনে রেখে কলকাতার উপকণ্ঠের ধুলাগড় পশুর হাট এখন প্রায় ফাঁকা, ব্যবসায়ীরা বড় ক্ষতির মুখে এবং প্রশাসনের ভয়ে আতঙ্কে আছেন।

এই পদক্ষেপে রাজ্যের গরুর মাংস ব্যবসা কার্যত ভেঙে পড়েছে। মুসলিম কসাই, রেস্তোরাঁ মালিক ও রাস্তার খাবার বিক্রেতারা দোকান বন্ধ করেছেন, বিফের দাম হ্রাস পেয়েছে। কলকাতার ‘দ্য বার্গার শপ’ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিফ বার্গার বিক্রি স্থগিত করেছে। দীর্ঘদিনের মাংস বিক্রেতারা জানাচ্ছেন, ক্রেতা নেই, দোকান আগেভাগে বন্ধ করতে হচ্ছে। উৎসবের জন্য ঋণ নেওয়া ব্যবসায়ীরা এখন চরম আর্থিক সংকটে।

বিজেপি মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার এই পদক্ষেপকে আইন প্রয়োগ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন। আইনজীবী জয়সিংহ নুগগেহাল্লি বলেছেন, এসব আইন প্রাণী কল্যাণের চেয়ে পরিচয় ও জীবিকার রাজনীতির সঙ্গে বেশি সম্পর্কিত। সমাজকর্মী হর্ষ মান্দার একে মুসলিমদের প্রান্তিক করার বৃহত্তর আদর্শিক প্রকল্পের অংশ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

27 May 26 1NOJOR.COM

ঈদের আগে গরু জবাই আইনের কড়াকড়িতে পশ্চিমবঙ্গে মাংস ব্যবসা বিপর্যস্ত

নিউজ সোর্স

পশ্চিমবঙ্গে গরু ব্যবসায়ীদের দুর্দিন, মাংস বিক্রেতাদের জীবিকা সংকটে | আমার দেশ

কলকাতা প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২৭ মে ২০২৬, ১৯: ৩৯
পবিত্র ঈদুল আজহার আর একদিন বাকি। কিন্তু ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের রাজধানী কলকাতার উপকণ্ঠে অবস্থিত বিশাল ধুলাগড় পশুর হাট এখন প্রায় জনশূন্য। টিনের চালার নিচে ব্যবসায়ীরা দল বেঁধে বসে আছেন। খোলা আকাশের নিচে প্

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।