Web Analytics

ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত হুথিদের দ্রুত অগ্রগতি এবং সৌদি আরবে ধারাবাহিক হামলায় রিয়াদ ক্রমবর্ধমান চাপে পড়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। চলতি সপ্তাহে হুথিরা লোহিত সাগরের মুখে কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ পেরিম দ্বীপ ও বন্দর শহর মোচা দখল করেছে। এর মধ্য দিয়ে তারা আন্তর্জাতিক জ্বালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ পথ বাব আল-মান্দেব প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করছে। এরপর ড্রোন হামলায় সৌদির গুরুত্বপূর্ণ পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইন বন্ধ হয়ে যায়।

হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হওয়ার পর প্রতিদিন প্রায় ৫০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহনকারী এই পাইপলাইনের ওপর সৌদির নির্ভরতা বেড়েছে। ড্রোন ইরাক থেকে ছোড়া হলেও কেউ দায় স্বীকার করেনি; ডোনাল্ড ট্রাম্প হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করেছেন। হুথি কর্মকর্তা নাসর আল-দীন আমের বলেছেন, হুথি-নিয়ন্ত্রিত উত্তর ইয়েমেনের ওপর ১২ বছরের ভ্রমণ ও অর্থনৈতিক অবরোধ না তোলা পর্যন্ত সৌদি আরবের ওপর চাপ চলবে।

বিশ্লেষকদের মতে, সৌদি আরবের সামরিক ও রাজনৈতিক—দুই পথই ঝুঁকিপূর্ণ। সর্বাত্মক পাল্টা হামলা দীর্ঘ ও বিস্তৃত যুদ্ধে রূপ নিতে পারে, আর সমঝোতায় বড় ছাড় দিতে হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি যুদ্ধে যেতে না চাইলেও গোয়েন্দা সহায়তার জন্য প্রায় ১০০ সামরিক পরামর্শক পাঠিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেনি সরকারি বাহিনী হুথিদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে এবং তা দ্রুত তীব্র হতে পারে।

14 Sep 26 1NOJOR.COM

হুথি অগ্রগতি ও পাইপলাইন হামলায় ইয়েমেন ইস্যুতে কঠিন সিদ্ধান্তের মুখে সৌদি আরব

নিউজ সোর্স

হুথিদের চাপে কোণঠাসা সৌদি আরব

ইয়েমেনে ইরান সমর্থিত হুথিদের দ্রুত অগ্রগতি এবং সৌদি আরবে ধারাবাহিক হামলা রিয়াদকে বড় এক সংকটে ফেলেছে। হুথিদের ঠেকাতে এখন সৌদি আরবের সামনে যে পথগুলো আছে, প্রতিটির সঙ্গেই বড় ঝুঁকি। সামরিকভাবে জবাব দিলে ছড়িয়ে পড়তে পারে বড় যুদ্ধ। আর রাজনৈতিক সমাধানের পথও

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।