Web Analytics

বাংলাদেশ সরকার ২০০৯ সালের ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন যুগোপযোগী করতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ (সংশোধন) আইন, ২০২৬ প্রণয়নের কাজ করছে। সম্প্রতি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাবিত খসড়া নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা হয়েছে। খসড়ায় ই-কমার্সকে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে এবং ওয়েবসাইট বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক ডিজিটাল কমার্স প্রতিষ্ঠানকে ব্যবসা শুরুর আগে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অধীনে নিবন্ধন করতে হবে।

প্রস্তাবিত আইনে নির্দিষ্ট অপরাধের অভিযোগ প্রমাণিত হলে অধিদপ্তর ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন বা কার্যক্রম স্থগিত কিংবা বাতিল করতে পারবে। নিষিদ্ধ পণ্য, ওষুধ বা সেবার বিজ্ঞাপন, অনলাইন জুয়া বা বেটিং আয়োজন কিংবা এতে সহায়তার ক্ষেত্রে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, সর্বোচ্চ তিন লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

ডিজিটাল কমার্সের প্রতারণা, প্রতিশ্রুত সেবা না দেওয়া এবং ডিজিটাল বিজনেস আইডেন্টিটি প্রদর্শন না করে ব্যবসার জন্য এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা দুই লাখ টাকা জরিমানা প্রস্তাব করা হয়েছে। বাজারে সংকট তৈরির উদ্দেশ্যে অবৈধ পণ্য বা ওষুধ মজুতের শাস্তি হতে পারে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা। মতামত নেওয়ার পর খসড়াটি আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং ও চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে।

20 Sep 26 1NOJOR.COM

খসড়া আইনে ই-কমার্স নিবন্ধন বাধ্যতামূলক ও ডিজিটাল প্রতারণার শাস্তি বাড়ানোর প্রস্তাব

নিউজ সোর্স

বদলে যাচ্ছে ভোক্তা অধিকার আইন

ভোক্তার অধিকার সংরক্ষণে আইন সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সংশোধনীতে আইনের আওতা ও শাস্তির বিধান বাড়ানো হচ্ছে। নতুন এই যুগোপযোগী আইনে ই-কমার্স খাতকে যুক্ত করা হচ্ছে। নতুন আইনে নিবন্ধন ছাড়া কোনো ডিজিটাল কমার্স প্রতিষ্ঠান ব্যবসা চালাতে পারবে না। অপরাধ প্

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।