Web Analytics

হামাসের ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলার পর প্রথম জাতীয় নির্বাচন হতে যাচ্ছে ইসরাইলে আগামী মঙ্গলবার। এই ভোটে দেশটির ভবিষ্যৎ নিয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন দুই দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যে বেছে নিতে হবে ভোটারদের। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জাতীয়তাবাদী ও ধর্মীয় জোটের বিপরীতে সাবেক জেনারেল গাদি আইজেনকোটের ইয়াশার দলকে কেন্দ্র করে বিরোধী শিবির গড়ে উঠেছে। জনমত জরিপে কোনো পক্ষের একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না।

নেতানিয়াহুর মিত্ররা পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণ, বিচার বিভাগে নতুন পরিবর্তন এবং গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে দেওয়ার মতো প্রস্তাব সামনে এনেছেন। অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোটরিচ গ্যালিলি ও নেগেভকে ‘ইহুদিকরণের’ পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। বিরোধীরা বিচার বিভাগসংক্রান্ত পরিবর্তন বাতিল, ৭ অক্টোবরের ব্যর্থতা তদন্তে রাষ্ট্রীয় কমিশন এবং অতি-ধর্মীয় ইহুদিদের বাধ্যতামূলক সামরিক নিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নির্বাচনের ফল ইসরাইলের সামাজিক কাঠামো, ফিলিস্তিনিদের ভবিষ্যৎ এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশটির অবস্থানে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে। সরকার গঠনে দলগুলোর দর-কষাকষি কয়েক মাস গড়াতে পারে। উভয় শিবিরের গুরুত্বপূর্ণ নেতারা আরব দলগুলোর সঙ্গে জোটের সম্ভাবনা নাকচ করেছেন, যদিও তাদের সমর্থন ৬১ আসনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

22 Oct 26 1NOJOR.COM

বিচার বিভাগ, বসতি, নিরাপত্তা ও সামরিক নিয়োগ নিয়ে ইসরাইলে তীব্র নির্বাচনী লড়াই

নিউজ সোর্স

ভবিষ্যৎ নিয়ে লড়াই করছে ইসরাইল, অস্তিত্বের প্রশ্নে বিভক্ত দুই শিবির

গত চার বছর ধরে অধিকৃত পশ্চিম তীরে একের পর এক পাহাড়ের চূড়ায় ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের দখল প্রতিষ্ঠা করতে দেখেছেন সালিম স্লেবি। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কট্টর ডানপন্থি জোটের শাসনামলে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে রেকর্ডসংখ্যক বসতি সম্প্রসারণ হয়েছে। কি

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।