Web Analytics

বগুড়ার বনানী টিঅ্যান্ডটি (বিটিসিএল) এলাকার পূর্ব পাশে থাকা একটি পরিত্যক্ত সরকারি ভবন মহাসড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্পের অগ্রগতিতে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাত বছর ধরে অপসারণের প্রক্রিয়া চললেও ভবনটি এখনো সরানো হয়নি। ফলে বর্ধিত সড়কের একটি অংশে গিয়ে পথ সরু হয়ে প্রতিদিন যানজট তৈরি হচ্ছে। ভবনের সামনে অস্থায়ী বাসস্টপ গড়ে ওঠায় যানবাহন থামানো, যাত্রী ওঠানামা এবং পথচারীদের চলাচলেও বিশৃঙ্খলা হচ্ছে।

সাসেক-২ প্রকল্পের আওতায় বনানী থেকে শেরপুরের মির্জাপুর পর্যন্ত প্রায় ২৫ কিলোমিটার এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে। ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের জন্য ২০৪ দশমিক ৫০ একর জমি অধিগ্রহণ করে প্রায় এক হাজার ৯১৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে। ১৪ ও ১৫ সেপ্টেম্বরের অভিযানে ৫১ জন অবৈধ দখলদারের তালিকার অধিকাংশকে উচ্ছেদ করা হলেও সরকারি ভবনটি রয়ে গেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, সড়ক ও জনপথ বিভাগ, জেলা প্রশাসনের এলএ শাখা এবং বিটিসিএলের সমন্বয় অসম্পূর্ণ থাকায় বিলম্ব হচ্ছে।

নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন কায়সার বলেন, ২০১৯ সালে টিঅ্যান্ডটি ৮৪ শতক জমি অধিগ্রহণ করে এবং ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল; পরে বিষয়টি একটি বেসরকারি কোম্পানির হাতে যায়। ২০১৯ সালে শুরু হওয়া প্রকল্পের মেয়াদ চলতি বছরের ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা।

22 Sep 26 1NOJOR.COM

পরিত্যক্ত বিটিসিএল ভবনে বগুড়ার মহাসড়ক গেটওয়ে সংকুচিত, বাড়ছে যানজট

নিউজ সোর্স

পরিত্যক্ত বিটিসিএল ভবন পথ আটকে দাঁড়িয়ে আছে পুরো প্রকল্পের

কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে বগুড়ার মহাসড়ক প্রশস্তকরণের কাজ এগুলেও একটি পরিত্যক্ত সরকারি ভবন যেন পুরো প্রকল্পের পথ আটকে দাঁড়িয়ে আছে। সাত বছর ধরে অপসারণের প্রক্রিয়া চললেও লালফিতার দৌরাত্ম্যে থেমে আছে নগরীর গেটওয়েখ্যাত বনানী টিঅ্যান্ডটি (বিটিসিএল) এলাকার পূর্ব

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।