Web Analytics

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞায় আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে এবং একপর্যায়ে আন্তর্জাতিক বিচারিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে আদালতটির কাজ চালিয়ে যাওয়া অসম্ভব হয়ে উঠতে পারে বলে উৎসে সতর্ক করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে থাকা বা মার্কিন নাগরিক ও প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণে থাকা আইসিসির সম্পদ ও সম্পত্তিগত স্বার্থ জব্দ করা হয়েছে। অনুমতি বা নির্দিষ্ট ছাড় ছাড়া মার্কিন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো আইসিসির সঙ্গে ব্যবসা করতে পারবে না।

নিষেধাজ্ঞার কারণে মার্কিন ব্যাংক, বিমা কোম্পানি, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান আদালতকে পণ্য বা সেবা দিতে কিংবা অর্থ গ্রহণ করতে অনিচ্ছুক হতে পারে। সম্ভাব্য মার্কিন শাস্তির ভয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরের প্রতিষ্ঠানও সেবা বন্ধ করতে পারে, যা তদন্ত ও অভিযোগ গঠনের কাজ অচল করে দিতে পারে। ১৮০ দিনের ছাড়ের সময়সীমায় কিছু অর্থপ্রাপ্তি, বেতন, স্বাস্থ্যসেবা, ভাড়া, ইউটিলিটি ও নিয়মিত ব্যয় চালানোর সুযোগ রাখা হয়েছে।

উৎসে বলা হয়েছে, শুধু সমর্থনের বিবৃতি যথেষ্ট নয়; সদস্যরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নকে আদালতের বাজেট, সম্পদ ও অবকাঠামো নিশ্চিত করতে হবে। নিষেধাজ্ঞার বহির্দেশীয় প্রভাব ঠেকাতে আইনি সুরক্ষা এবং বিকল্প ব্যাংকিং, অর্থপরিশোধ ও ডিজিটাল অবকাঠামো গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়েছে। ইইউকে ব্লকিং স্ট্যাটিউট কার্যকর করারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

12 Oct 26 1NOJOR.COM

মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় আইসিসি রক্ষায় আইনি ও আর্থিক সুরক্ষাব্যবস্থার আহ্বান

নিউজ সোর্স

মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় ধ্বংসের ঝুঁকিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কারণে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকলে ধীরে ধীরে প্রতিষ্ঠানটির সক্ষমতা কমে যেতে পারে। একপর্যায়ে আন্তর্জাতিক সংস্থা হিসেবে, এমনকি বিচারিক প্রতিষ্

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।