Web Analytics

২৭ অক্টোবরের ইসরাইলি নির্বাচন দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন আনতে পারে, তবে আঞ্চলিক নীতিতে মৌলিক পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম বলে বিশ্লেষণে বলা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আবার জিতলে বেজালেল স্মোতরিচ ও ইতমার বেন-গভিরের মতো উগ্র ডানপন্থি শরিকদের প্রভাব আরও বাড়তে পারে। গাদি আইজেনকোট, নাফতালি বেনেট বা অন্য বিরোধী নেতারা ক্ষমতায় এলে ভাষা কিছুটা সংযত হতে পারে এবং কূটনৈতিক আলোচনায় আগ্রহ বাড়তে পারে।

সূত্র অনুযায়ী, সামরিক শক্তি প্রয়োগ, ইরান, হিজবুল্লাহ ও হামাসকে হুমকি হিসেবে দেখা, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরাইলি নিয়ন্ত্রণ এবং স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের প্রশ্নে মূলধারার দলগুলোর মধ্যে বড় পার্থক্য নেই। নেতানিয়াহুর উগ্র ডানপন্থি শরিকনির্ভরতার ফলে বসতি সম্প্রসারণ, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে দুর্বল করা এবং গাজা ও পশ্চিম তীরে কঠোর নীতি সরকারের কেন্দ্রে এসেছে। উদ্ধৃত বিশেষজ্ঞদের মতে, নেতৃত্ব বদলালেও বৃহত্তর কৌশল মোটামুটি বহাল থাকবে।

কম ডানপন্থি সরকার গাজার পুনর্গঠনে বেশি সহযোগিতা করতে, বসতিস্থাপনকারীদের সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে এবং জর্ডান ও মিসরকে কিছু কূটনৈতিক স্বস্তি দিতে পারে। তবে গাজার শাসন, সামরিক নিয়ন্ত্রণ, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং পশ্চিম তীরের প্রশ্নে মৌলিক বিরোধের সমাধান হবে না বলে বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে।

12 Oct 26 1NOJOR.COM

ইসরাইলের নির্বাচন ভাষা বদলালেও মূল আঞ্চলিক নীতিতে বড় পরিবর্তন নাও আনতে পারে

নিউজ সোর্স

ইসরাইলের নির্বাচন: মধ্যপ্রাচ্যের জন্য এর তাৎপর্য কী

আগামী ২৭ অক্টোবরের নির্বাচন ইসরাইলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে। তবে বিশ্বজুড়ে অনেকেই আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ইসরাইলি নীতিতে যে বড় ধরনের পরিবর্তনের আশা করছেন, তা সম্ভবত ঘটবে না। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আবার জয়ী হলে ইসরাই

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।