Web Analytics

বাংলাদেশে গ্যাস ও বিদ্যুতের তীব্র সংকটে শিল্পকারখানার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে এবং পণ্য উৎপাদন ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ কমেছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। সাভার, গাজীপুর, নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জের মালিক ও শ্রমিকরা জানান, অনিয়মিত জ্বালানি সরবরাহে উৎপাদন, সময়মতো পণ্য সরবরাহ এবং বাজার ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়েছে ২২ আগস্ট ২০২৬।

বস্ত্র ও পোশাক খাতের উদ্যোক্তারা বলেন, বারবার বিদ্যুৎ যাওয়া এবং গ্যাসের নিম্নচাপ বিশেষ করে গ্যাসনির্ভর ডাইং কারখানাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। ডিজেলচালিত জেনারেটর ও বিকল্প জ্বালানি ব্যবহার করে কিছু কারখানা আংশিক উৎপাদন চালালেও ব্যয় বাড়ছে। বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, উৎপাদন ও ক্রয়াদেশ টিকিয়ে রাখতে এখন ১২ থেকে ১৩ ঘণ্টা কাজ করতে হচ্ছে।

পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, দৈনিক প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট গ্যাসের চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ সাম্প্রতিক সময়ে ১৭৩ থেকে ২৪৪ কোটি ঘনফুটের মধ্যে ওঠানামা করেছে। পিডিবি জানায়, গ্যাসের অভাবে ২১টি গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পুরোপুরি বন্ধ এবং আটটি আংশিক চালু ছিল। শ্রমিকরা দীর্ঘ সময় কারখানায় থাকা, অতিরিক্ত অর্থ না পাওয়া এবং চাকরি হারানোর আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন।

22 Aug 26 1NOJOR.COM

গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে কারখানার উৎপাদন কমছে, বাড়ছে ব্যয় ও চাকরি হারানোর শঙ্কা

নিউজ সোর্স

গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে ধুঁকছে শিল্পকারখানা | আমার দেশ

জিয়াউল হক মিজান
প্রকাশ : ২২ আগস্ট ২০২৬, ০৮: ২৬
প্রয়োজনীয় গ্যাস ও বিদ্যুতের অভাবে ব্যাহত হচ্ছে উৎপাদন। এমন পরিস্থিতিতে দেশের শিল্পকারখানায় দেখা দিয়েছে চরম অস্থিরতা। জ্বালানি সংকটে কারখানার স্বাভাবিক উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় পণ্য উৎপাদন ২৫-৩০ শতাংশ কমে গেছে

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।