Web Analytics

যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার একটি বড় তেল চুক্তিতে ভেনেজুয়েলার ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেল তেল মজুদ মার্কিন নিয়ন্ত্রণাধীন ব্যবস্থায় যেতে পারে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ২০২৬ সালের ৩ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ বাহিনীর অভিযানে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো আটক হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পর তার ডেপুটি ডেলসি রদ্রিগেজ অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হন। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চুক্তিটিকে বিশ্বের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় তেল চুক্তি বলেছেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৩০৩ বিলিয়ন ব্যারেল মজুদের প্রায় ২০ শতাংশ ১৭টি তেলক্ষেতে ছড়িয়ে আছে। এসব ক্ষেত্র পরিচালনা করবে নর্থ আমেরিকান ব্লু এনার্জি পার্টনার্স বা নাবেপ, যার সঙ্গে যুক্ত থাকবে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের অফিস অব স্ট্র্যাটেজিক ক্যাপিটাল। উভয় দেশের কর্মকর্তারা প্রায় ১০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের বিপরীতে ভেনেজুয়েলার প্রায় ২০০ বিলিয়ন ডলার কর ও রয়্যালটি পাওয়ার দাবি করেছেন, যদিও হিসাবের ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

চুক্তি বাস্তবায়নে দুর্বল প্রতিষ্ঠান, আইনি অনিশ্চয়তা এবং বড় বিনিয়োগকারীদের সীমিত আগ্রহ বাধা হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র ১০০ বছরের নিয়ন্ত্রণের কথা বললেও ভেনেজুয়েলা নাবেপের অনুমতির মেয়াদ ২৫ বছর বলছে। বিরোধীদের একাংশ নির্বাচনের আগে অন্তর্বর্তী সরকারের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে।

06 Sep 26 1NOJOR.COM

তেল চুক্তি ঘিরে ভেনেজুয়েলার নিয়ন্ত্রণ, রাজস্ব ও নির্বাচনী ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন

নিউজ সোর্স

ট্রাম্পের ‘ঐতিহাসিক’ তেল চুক্তিতে কী পেল ভেনেজুয়েলা

ভেনেজুয়েলার রাজনীতি ও দেশটির বিপুল তেলসম্পদের নিয়ন্ত্রণ দীর্ঘদিন ধরেই একে অপরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। গত প্রায় তিন দশক ধরে দেশটির ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক শক্তি তেলশিল্পে ‘সম্পদ জাতীয়তাবাদ’ বা রিসোর্স ন্যাশনালিজমের নীতি অনুসরণ করে এসেছে। তবে ২০২৬ সালের শ

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।