Web Analytics

আধুনিক পণ্য, প্লাস্টিক সামগ্রীর সহজলভ্যতা এবং কারিগরদের আগ্রহ কমে যাওয়ায় সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে ঐতিহ্যবাহী শীতলপাটি শিল্প ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে বসেছে। একসময় গরমে ঘরের মেঝে ও বারান্দায় শীতলপাটি ব্যবহার হতো; অতিথি আপ্যায়ন ও দৈনন্দিন জীবনেও এর কদর ছিল। কারিগর পরিবারের নারীরাও অবসর সময়ে পাটি বুনে বাড়তি আয় করতেন।

কারিগর মননজয় চন্দ্র বলেন, কয়েক দিন থেকে এক সপ্তাহ সময় নিয়ে পাটি তৈরি করলেও ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় অনেকে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছেন। অনিতা রাণীর মতে, কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি, শ্রমের তুলনায় কম পারিশ্রমিক এবং আধুনিক ম্যাট ও প্লাস্টিক পণ্যের আধিপত্য বড় বাধা। প্রবীণ বিল্লু চন্দ্র বলেন, গ্রামীণ সংস্কৃতি ও সামাজিক অনুষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত এই পাটির ব্যবহার এখন অনেক কমেছে।

উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক জানান, প্রায় ৩০০ পরিবার এ কাজের সঙ্গে যুক্ত এবং কারিগররা দেশের বিভিন্ন স্থানে পাটি বিক্রি করেন। তিনি আধুনিক যন্ত্রপাতি, প্রশিক্ষণ, বিপণন ও স্বল্প সুদে ঋণের কথা বলেন। জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম কারিগরদের ঋণ সুবিধা ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে বিপণন সহায়তার উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

27 Aug 26 1NOJOR.COM

কম দাম, ব্যয় বৃদ্ধি ও আধুনিক পণ্যের চাপে সংকটে কামারখন্দের শীতলপাটি শিল্প

নিউজ সোর্স

বিলুপ্তির পথে কামারখন্দের ঐতিহ্যবাহী শীতলপাটি শিল্প

একসময় গ্রামবাংলার ঘরে ঘরে ছিল শীতল পাটির কদর। গরমের দিনে মাটির ঘরের মেঝেতে কিংবা বারান্দায় শীতল পাটি বিছিয়ে স্বস্তি পেতেন মানুষ। অতিথি আপ্যায়ন থেকে শুরু করে দৈনন্দিন জীবনের নানা কাজে ব্যবহার হতো দেশীয় ঐতিহ্যের এই পাটি। কিন্তু আধুনিকতার ছোঁয়া, প্লাস্ট

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।