Web Analytics

একটি মতামতধর্মী বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, টানা এক যুগ ক্ষমতায় থাকা ভারতের বিজেপি সরকারের প্রধান শক্তি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা ও ভোট টানার সক্ষমতা। ১২ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত লেখাটিতে দাবি করা হয়, তাঁর নেতৃত্বে সাধারণ নির্বাচনে বিজেপির ভোটের হার মোটামুটি ৩১ থেকে ৩৬ শতাংশের মধ্যে ছিল। তবে যন্তর মন্তরের সাম্প্রতিক ছাত্রবিক্ষোভ, মোদিকে নিয়ে উপহাস এবং দুটি উপনির্বাচনে বিজেপির পরাজয় তাঁর অপরাজেয় ভাবমূর্তিতে চাপ তৈরি করেছে বলে লেখকের মূল্যায়ন।

লেখাটি মোদির বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর উত্থান ও পরবর্তী অজনপ্রিয়তার তুলনা করেছে। এতে বলা হয়, ইন্দিরার নবগঠিত কংগ্রেস ১৯৭১ ও ১৯৮০ সালে ৪৩ শতাংশ এবং ১৯৮৪ সালের নির্বাচনে ৪৮ শতাংশ ভোট পেয়েছিল। কিন্তু ১৯৭৪-৭৫ সালের আন্দোলনের সময় তিনি প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হন এবং ১৯৭৭ সালে কংগ্রেস পরাজিত হলে নিজের আসনও হারান।

বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ছাত্রবিক্ষোভের পর শিক্ষামন্ত্রীকে বরখাস্ত করা হয় এবং তরুণদের কাছে পৌঁছাতে মোদির কয়েকটি উদ্যোগ প্রত্যাশিত সাড়া পায়নি। লেখক মনে করেন, আগামী বছর উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি জয়ের আশা করছে। একই সঙ্গে কর্মসংস্থানহীন ক্ষুব্ধ তরুণদের সন্তুষ্ট করা মোদির জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।

12 Aug 26 1NOJOR.COM

বিক্ষোভ, উপনির্বাচন ও তরুণদের ক্ষোভে মোদির রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে বিশ্লেষণ

নিউজ সোর্স

বিজেপি-মোদির সুসময় কি ফুরিয়ে আসছে | আমার দেশ

বীর সাংভি
প্রকাশ : ১২ আগস্ট ২০২৬, ০৭: ৪৫আপডেট : ১২ আগস্ট ২০২৬, ০৯: ৩৫
কখনো কখনো আপনার সবচেয়ে বড় সুবিধাই সবচেয়ে বড় অসুবিধায় পরিণত হতে পারে। ভারতের বর্তমান বিজেপি সরকারের ক্ষেত্রেও ঠিক এমনটাই ঘটছে। এ সরকারের এক যুগ ক্ষমতায় টিকে থাকার মূল শক্তি প্রধানমন

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।