Web Analytics

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির সাম্প্রতিক নিয়োগ কেলেঙ্কারি প্রতিষ্ঠানটির গভীর শাসনব্যবস্থার ব্যর্থতা উন্মোচন করেছে। ২০১৭ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে ব্যাংকটি ১০ হাজার ৮০০-এর বেশি কর্মী নিয়োগ দেয়, যার প্রায় ৭৫ শতাংশই কোনো প্রকাশ্য বিজ্ঞাপন ছাড়াই এবং অধিকাংশ নিয়োগ চট্টগ্রামের একটি উপজেলায় কেন্দ্রীভূত ছিল। একসময় দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সফল ইসলামী ব্যাংকটি এখন কার্যত দেউলিয়াত্বের মুখে।

অডিট ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিদর্শনে দেখা গেছে, মানবসম্পদ নীতিমালা পরিবর্তন করে প্রতিযোগিতামূলক নিয়োগ প্রক্রিয়া এড়ানো হয়েছে এবং জামানতবিহীন অনিয়মিত ঋণ বিতরণ করা হয়েছে। এর ফলে ব্যাংক খাতে বিশাল মূলধন ঘাটতি তৈরি হয়েছে, যা পূরণে সরকার প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা ঢেলেছে। লেখক পাঁচটি পদক্ষেপের প্রস্তাব দিয়েছেন—অতিরিক্ত জনবল হ্রাস, খারাপ সম্পদ আলাদা করা, মূলধন পুনর্গঠন, সুশাসন নিশ্চিত করা এবং আমানতকারীর আস্থা রক্ষা।

তিনি সতর্ক করেছেন, যদি সংকটের জন্য দায়ীদের পুনরায় ক্ষমতায় ফিরিয়ে দেওয়া হয়, তবে ব্যাংকের প্রতি আস্থা ধ্বংস হবে এবং সংস্কারের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবে।

01 May 26 1NOJOR.COM

ইসলামী ব্যাংকের সংকট, বিশেষজ্ঞের জরুরি শাসন ও আর্থিক সংস্কারের আহ্বান

নিউজ সোর্স

ইসলামী ব্যাংককে বাঁচাতে এখনই যে সিদ্ধান্ত দরকার | আমার দেশ

এম. কবির হাসান
প্রকাশ : ০১ মে ২০২৬, ০৯: ১০
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির সাম্প্রতিক নিয়োগ কেলেঙ্কারি আমাদের সামনে একটি অস্বস্তিকর কিন্তু জরুরি বাস্তবতা তুলে ধরেছে—সমস্যাটি শুধু অনিয়মিত নিয়োগ নয়, বরং গভীর শাসনব্যবস্থার ব্যর্থতা। ২০১৭ থেকে ২০২৪ সালের

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।