Web Analytics

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সাবেক সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুর্নীতি দমন কমিশন। প্রাথমিক অনুসন্ধানে স্টেডিয়াম উন্নয়ন, বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ আয়োজন, মিডিয়া স্বত্ব বিক্রি, টিকিটের দরপত্র, মুজিববর্ষ আয়োজন, বিদেশ সফর ও হেলিকপ্টার ব্যবহারের খাতে অনিয়মের তথ্য পাওয়ার কথা জানিয়েছে সংস্থাটি। বিসিবি ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কাছে আরও নথি চাওয়া হয়েছে এবং অধিকাংশ নথি হাতে এসেছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

দুদক অভিযোগ খতিয়ে দেখছে যে, স্টেডিয়াম নির্মাণে কম দরদাতা প্রতিষ্ঠানকে বাদ দিয়ে বেশি দর দেওয়া পছন্দের প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেওয়া হয়েছিল। এতে বিসিবির কর্মকর্তাদের যোগসাজশের অভিযোগও রয়েছে। বল না কিনেও ব্যয় দেখানো, ক্রয় ও দরপত্র প্রক্রিয়ায় অনিয়ম, মিডিয়া স্বত্ব ও টিকিটিংয়ে গরমিল এবং বিপিএল ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়-ব্যয়ের হিসাবের অসঙ্গতিও তদন্তাধীন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর পাপন ও তাঁর পরিবারের নামে নয়টি মামলা করে দুদক। ২০২৫ সালের মে মাসে সংস্থাটি তাঁর ব্যাংক হিসাবে ৭৪৩ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্যের কথা জানায়। ২০২৫ সালের ২১ আগস্ট ভার্চুয়ালি বিসিবির জরুরি সভায় যুক্ত হয়ে তিনি সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন। সব তথ্য যাচাই শেষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে দুদক জানিয়েছে।

02 Sep 26 1NOJOR.COM

সাবেক বিসিবি সভাপতি পাপনের বিরুদ্ধে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা অনিয়মের অভিযোগে দুদকের অনুসন্ধান

নিউজ সোর্স

স্টেডিয়াম, বিপিএল, টিকিট: পাপনের ‘৪০০ কোটির খেলা’

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি থাকাবস্থায় নাজমুল হাসান পাপনের বিরুদ্ধে বিপুল পরিমাণের অর্থ নয়ছয়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিশেষ করে স্টেডিয়ামের উন্নয়ন কাজ, বিপিএল আয়োজন, মিডিয়া স্বত্ব বিক্রি, টিকিট বিক্রির টেন্ডার, মুজিবব

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।