Web Analytics

৩০ জুলাই ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের নিত্যপ্রয়োজনীয় সয়াবিন তেল, দুধ ও চিনিতে উদ্বেগজনক মাত্রায় মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পেয়েছে বিভিন্ন গবেষণা। গবেষকদের মতে, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, প্লাস্টিকের মোড়ক এবং পরিবেশদূষণের মাধ্যমে এসব ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা খাবারে মিশছে। খোলা সয়াবিন তেলে প্রতি লিটারে ৪৫ হাজার থেকে ৭০ হাজার এবং বোতলজাত তেলে ৪৪ হাজার থেকে ৫৪ হাজার কণা পাওয়া গেছে।

প্রসেসড দুধে প্রতি ১০ মিলিলিটারে গড়ে ১৫৬.০৬টি এবং কাঁচা দুধে ৯৩.৩৯টি কণা শনাক্ত হয়েছে। খোলা চিনিতে প্রতি কেজিতে গড়ে ৪০৩টি ও প্যাকেটজাত চিনিতে ৩২২টি কণা পাওয়া যায়। যবিপ্রবির অধ্যাপক মো. ওমর ফারুকের নেতৃত্বাধীন গবেষণায় দুধে পিটিএফই, পিইটি, নাইলন-৬ ও পিভিসির মতো পলিমার মিলেছে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. শফি মুহাম্মদ তারেক সয়াবিন তেলে পাওয়া মাত্রাকে ‘ভয়াবহ’ বলেছেন।

বিএসটিআই জনগণকে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেছে, পূর্ণাঙ্গ বৈজ্ঞানিক ও আইনগত যাচাই ছাড়া কোনো ব্র্যান্ড বা পণ্যকে অনিরাপদ বলা ঠিক নয়। সংস্থাটি গবেষক, প্রস্তুতকারক ও আমদানিকারকদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করছে এবং মানদণ্ড লঙ্ঘন হলে আইনি পদক্ষেপের কথা বলেছে। তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বিষয়টিকে বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্য সংকট উল্লেখ করে দ্রুত সমন্বিত পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছেন।

30 Jul 26 1NOJOR.COM

গবেষণায় তেল, দুধ ও চিনিতে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি; সমন্বিত পদক্ষেপের তাগিদ

নিউজ সোর্স

তেল, দুধ, চিনি থেকেও শরীরে ঢুকছে মাইক্রোপ্লাস্টিক | আমার দেশ

বিবিসি
প্রকাশ : ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪: ০৮আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪: ৩৩
টুথপেস্টে ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক বা ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণার উপস্থিতি নিয়ে আলোচনার মধ্যেই এবার নিত্যদিনের খাদ্যতালিকায় থাকা সয়াবিন তেল, দুধ ও চিনিতেও উচ্চ মাত্রায় এই উপাদানের প্রমাণ

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।