Web Analytics

বিপুল আমদানি ব্যয় সাশ্রয়ের লক্ষ্যে আগামী তিন বছরের মধ্যে আদা উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। দেশে বার্ষিক আদার চাহিদার প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ আমদানি করে মেটানো হয়। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে চীন, ভারত, মিয়ানমার, ইন্দোনেশিয়া ও থাইল্যান্ড থেকে ১ লাখ ৪১ হাজার টনের বেশি আদা আমদানিতে ১,২৫৬ কোটি ৮১ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে।

২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টন চাহিদার বিপরীতে দেশে ২ লাখ ৫৫ হাজার টন আদা উৎপাদিত হয়, ফলে ঘাটতি ছিল ১ লাখ ২০ হাজার টন। ওই সময়ে ১ লাখ ৪৫ হাজার টন আদা আমদানি করা হয়। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ভারত থেকে ৬১,৪২৮ টন, চীন থেকে ৪৩,০৩৮ টন এবং মিয়ানমার থেকে প্রায় ৩০,৩৪৭ টন আদা এসেছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, কর্মসূচিতে উচ্চফলনশীল জাত সম্প্রসারণ, মানসম্মত বীজ সরবরাহ, কৃষক প্রশিক্ষণ, পাহাড়ি এলাকায় সেচ, আধুনিক প্রযুক্তি, বস্তায় চাষ এবং সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ রয়েছে। গবেষকেরা বারি-২ ও বারি-৩ জাত এবং বস্তা পদ্ধতির চাষে উৎসাহ দিচ্ছেন। বর্তমানে প্রতি হেক্টরে গড়ে প্রায় ১৭ টন আদা উৎপাদিত হয়; উচ্চফলনশীল জাতে আরও ১ থেকে ১.৫ টন বাড়ানো সম্ভব বলে জানানো হয়েছে। স্থানীয় উৎপাদিত আদার প্রায় ৩০ শতাংশ এখন বস্তা পদ্ধতিতে চাষ হয়।

12 Oct 26 1NOJOR.COM

উৎপাদন বাড়িয়ে তিন বছরে আদায় স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে চায় বাংলাদেশ

নিউজ সোর্স

আদা উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের পরিকল্পনা সরকারের

আমদানির বিপুল ব্যয় সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকার আগামী তিন বছরের মধ্যে আদা উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
বর্তমানে দেশের চাহিদার ৪০ শতাংশই আমদানির মাধ্যমে মেটানো হচ্ছে। এতে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ১,২৫৬ কোটি ৮১ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে।
কৃষি সম্প্র

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।