Web Analytics

একটি মতামতধর্মী নিবন্ধে নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম ভাষণকে নতুন বাংলাদেশের রূপরেখা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। বাংলায় দেওয়া ওই ভাষণে অর্থনীতি, প্রতিষ্ঠান ও জনসেবার পুনর্গঠনের জন্য রিকভারি, রেস্টোরেশন ও রিকনস্ট্রাকশন—এই ‘থ্রি-আর’ কৌশল তুলে ধরা হয়।

নিবন্ধ অনুযায়ী, রিকভারির লক্ষ্য অর্থনৈতিক স্থবিরতা, মূল্যস্ফীতি ও আর্থিক খাতের বিশৃঙ্খলা মোকাবিলা করা। রেস্টোরেশনের আওতায় আইনের শাসন, ভোটাধিকার, মানবাধিকার, বাকস্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান পুনর্বহালের কথা বলা হয়েছে। রিকনস্ট্রাকশনে অবকাঠামো, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও প্রযুক্তিখাত আধুনিকায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে ৩১ দফা কর্মসূচি, বিভিন্ন কার্ডভিত্তিক সেবা, শিক্ষা খাতে পরিকল্পনা এবং তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য ৫০ মিলিয়ন ডলারের স্টার্টআপ ফান্ডের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

ভাষণে জলবায়ু উদ্যোগ হিসেবে ২৫ কোটি গাছ লাগানো, ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা ও পদ্মা ব্যারাজের প্রস্তাব রয়েছে। পাশাপাশি পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ, স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র, রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে নিরাপদ প্রত্যাবাসন এবং এআই যুগে ডিজিটাল বৈষম্য ঠেকাতে জাতিসংঘের কার্যকর নীতিমালার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।

30 Sep 26 1NOJOR.COM

জাতিসংঘে তারেক রহমানের ভাষণে থ্রি-আর পুনর্গঠন কৌশল তুলে ধরা হয়েছে

নিউজ সোর্স

বাংলাদেশ এবং থ্রি-আরের অন্তর্নিহিত তাৎপর্য

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রদত্ত প্রথম ভাষণটি শুধু একজন রাষ্ট্রনায়কের প্রথাগত কূটনৈতিক বক্তব্য নয়, বরং এটি দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদের অন্ধকার কাটিয়ে উঠে দাঁড়ানো একটি স্বাধীন, সার্বভৌম ও স্বাবলম্বী বাংলাদেশের ন

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।