Web Analytics

৬৭ বছর বয়সী চিকিৎসক ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বাংলাদেশের ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী পদের অন্যতম শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠেছেন। একসময় প্রান্তিক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত এই নেতা এখন ঢাকার দেয়ালজুড়ে তার ছবি নিয়ে আলোচনায়। একসময় নিষিদ্ধ থাকা জামায়াত এবার বিএনপির সঙ্গে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামছে। ২০২৪ সালের জেন-জি নেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার পতনের পর এটি দেশের প্রথম নির্বাচন।

জনমত জরিপে দেখা যাচ্ছে, জামায়াত এবার তাদের ইতিহাসের সেরা ফল করতে পারে, যা উদারপন্থি ও সংখ্যালঘুদের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। হাসিনার পতনের পর নোবেলজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার দলটির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়, এবং ২০২৫ সালে আদালতও তা বহাল রাখে। এরপর জামায়াত দাতব্য কার্যক্রম ও ত্রাণকাজের মাধ্যমে দ্রুত জনসমর্থন পায়। বিশ্লেষকেরা বলছেন, অভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক শূন্যতা কাজে লাগিয়ে শফিকুর রহমান জাতীয় পর্যায়ে পরিচিতি অর্জন করেছেন।

তিনি শাসনব্যবস্থা সংস্কার, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক ন্যায়বিচারের ওপর জোর দিচ্ছেন। তরুণ নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টির সঙ্গে জোট তার জনপ্রিয়তা বাড়ালেও নারীদের কাজের সময় সীমিত রাখার মন্তব্য বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।

11 Feb 26 1NOJOR.COM

বাংলাদেশের ২০২৬ সালের নির্বাচনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ডা. শফিকুর রহমান

নিউজ সোর্স

অচেনা শফিকুরই এখন বাংলাদেশের নেতৃত্বের দৌড়ে | আমার দেশ

আমার দেশ অনলাইন
প্রকাশ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১: ৫৩আপডেট : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৪: ৫৭
আমার দেশ অনলাইন
বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরেই অনেকটা প্রান্তিক পর্যায়ে ছিলেন ডা. শফিকুর রহমান। এখন রাজধানী ঢাকার দেয়াল আর বিলবোর্ডগুলোতে শোভা পাচ্ছে তার শ্ম

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।