Web Analytics

আমার দেশ-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ-ভারত যৌথ মালিকানার ১,৩২০ মেগাওয়াট রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র গত এক বছরে ৩০ বার বন্ধ হয়েছে, যার ২৭টিই কারিগরি ত্রুটিজনিত। ১৬ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বিদ্যুৎ বিভাগের সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়, তিন বছরের মধ্যেই কেন্দ্রটির যন্ত্রপাতি ক্ষয় ও বিকল হচ্ছে এবং মেরামতের পরও অল্প সময়ের মধ্যে আবার সমস্যা দেখা দিচ্ছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, কেন্দ্রটি পিডিবি ও ভারতের রাষ্ট্রীয় এনটিপিসির যৌথ উদ্যোগে গঠিত বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানির অধীনে নির্মিত হয়। প্রকল্পে ভারতের এক্সিম ব্যাংক থেকে ১৬০ কোটি ডলার ঋণ নেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা বলেন, অংশীদারত্ব ৫০:৫০ হলেও স্থাপন ও পরিচালনায় ভারতীয়দের নিয়ন্ত্রণ ছিল। দুদকের অনুসন্ধান শুরুর পর ২৪ জানুয়ারি নয়জন ভারতীয় কর্মকর্তা চলে যান বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

কেন্দ্রটির মুখপাত্র আনোয়ারুল আজিম বলেন, দেশীয় প্রকৌশলীদের দায়িত্ব দেওয়ার পর কেন্দ্রটি ধীরে ধীরে সচল হয়েছে এবং গত এক মাসে ত্রুটি তুলনামূলক কম দেখা গেছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, দুটি ইউনিট থেকে এখন প্রতিদিন জাতীয় গ্রিডে ৮০০ থেকে ৯০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে। বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জানান, ত্রুটি ও আর্থিক ক্ষতির বিষয়টি বাংলাদেশ ভারতের কাছে জানিয়েছে।

16 Aug 26 1NOJOR.COM

কারিগরি ত্রুটির পরও দেশীয় প্রকৌশলীদের তত্ত্বাবধানে রামপালে ৮০০-৯০০ মেগাওয়াট উৎপাদন

নিউজ সোর্স

নিম্নমানের যন্ত্রপাতির রামপাল চালাতে প্রকৌশলীদের লড়াই | আমার দেশ

এম এ নোমান
প্রকাশ : ১৬ আগস্ট ২০২৬, ০৮: ৩৫
তিন বছরের মধ্যেই নড়বড়ে হয়ে পড়েছে চরম বিতর্কিত কয়লাভিত্তিক রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র। বিভিন্ন কারণে গত এক বছরে ৩০ বার বন্ধ হয়েছে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ মালিকানার ১৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার এ তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রটি। শুধু কারিগর

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।