Web Analytics

জুনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো একটি মিথ্যা দাবি লিবিয়ায় অভিবাসী ও জাতিসংঘের সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ এবং সহিংসতার অভিযোগের জন্ম দিয়েছে বলে বিবিসির বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। মিসরের একটি এক্স অ্যাকাউন্ট ৩ জুন দাবি করেছিল, ইউএনএইচসিআর লিবিয়ার জনসংখ্যার মধ্যে ৮ লাখ ৫০ হাজার আফ্রিকান অভিবাসীকে পুনর্বাসনের ঘোষণা দিয়েছে। ইউএনএইচসিআর এটিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বললেও পরদিন ত্রিপোলিতে সংস্থাটির সদর দপ্তরের বাইরে বিক্ষোভ হয় এবং কিছু বিক্ষোভকারী প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে।

বিবিসির মতে, দাবিটি লিবিয়া, মিসর ও তিউনিসিয়ায় ছড়াতে আপাতদৃষ্টিতে কৃত্রিম অ্যাকাউন্ট নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হয় এবং এটি অন্তত ১০ লাখ ব্যবহারকারীর কাছে পৌঁছায়। ফেসবুকে শনাক্ত ৪০টি অ্যাকাউন্টের মধ্যে ৩৪টি ২ থেকে ৭ মে তৈরি হয়েছিল; তারা মিলিতভাবে ১৪ লাখ ৬০ হাজার অনুসারীর কাছে পৌঁছায়। মেটা ২৪ ঘণ্টার পর্যবেক্ষণ দল মোতায়েনের কথা জানিয়েছে এবং বিবিসির যোগাযোগের পর ১১টি অ্যাকাউন্ট সরিয়েছে।

লিবিয়ায় ২০২৬ সালের শুরুতে ৯ লাখ ৩০ হাজারের বেশি অভিবাসী এবং এক লাখ ১২ হাজারের বেশি শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থী ছিলেন। ঘটনার পর অভিবাসী ও আশ্রয়প্রার্থীরা হামলা ও হয়রানি বৃদ্ধির কথা জানিয়েছেন। পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলের কর্তৃপক্ষ অভিযান, গ্রেপ্তার, আটক ও বহিষ্কারের ঘোষণা দেয়; উভয় পক্ষের প্রশাসনই অভিবাসীদের স্থায়ী বসতি স্থাপনের ধারণা প্রত্যাখ্যান করেছে।

16 Aug 26 1NOJOR.COM

লিবিয়ায় ভুয়া অনলাইন দাবির পর বিক্ষোভ ও অভিবাসীদের ওপর হামলার অভিযোগ

নিউজ সোর্স

অনলাইনের ভুয়া পোস্টে বিশ্বাস করে যেভাবে বিপদ ডেকে আনলেন লিবিয়ার অভিবাসীরা | আমার দেশ

বিবিসি
প্রকাশ : ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১০: ১৮আপডেট : ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১০: ২৮
লিবিয়ায় অভিবাসী ও জাতিসংঘের সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে জুন মাসে ছড়িয়ে পড়া ভুল তথ্যের পেছনে ছিল একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্ট।
বিবিসির বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মিথ্যা ওই দাবি পরে লিবিয়া, মিসর

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।