Web Analytics

অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা ও চীনের বেইজিংয়ের বিজ্ঞানীরা পৃথকভাবে বিশ্বের প্রথম দুটি কার্যকর নিউক্লিয়ার ক্লক তৈরি করেছেন। সময় মাপার এই যন্ত্রগুলো পরমাণুর ইলেকট্রনের শক্তিস্তর পরিবর্তনের বদলে পরমাণুর কেন্দ্র বা নিউক্লিয়াসের শক্তিস্তর পরিবর্তন ব্যবহার করে। উভয় দলই থোরিয়াম-২২৯ আইসোটোপ ব্যবহার করেছে, যার নিউক্লিয়াসের তুলনামূলক কম শক্তিস্তর ব্যবধান উপযুক্ত লেজার আলো দিয়ে উত্তেজিত করা সম্ভব।

নিউক্লিয়াস বাইরের পরিবেশের কিছু প্রভাবের প্রতি তুলনামূলক কম সংবেদনশীল হওয়ায় এ ধরনের ঘড়ি তাত্ত্বিকভাবে আরও স্থিতিশীল ও নির্ভুল হতে পারে। টিইউ ভিয়েন ও জার্মানির ফিজিক্যাল-টেকনিক্যাল ফেডারেল ইনস্টিটিউটের দলটি ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় সরাসরি ব্যবহারকারী হস্তক্ষেপ ছাড়াই যন্ত্রটি স্থিতিশীলভাবে চালিয়েছে। এক দিনের পর্যবেক্ষণে এর ফ্রিকোয়েন্সি-সংক্রান্ত কর্মদক্ষতা ছিল প্রায় ১০^-১৫ মাত্রার।

বেইজিংয়ের সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্বাধীন দলটি ভিয়েনার যন্ত্রের তুলনায় প্রায় ছয় গুণ ভালো স্থিতিশীলতা দেখিয়েছে এবং দুটি আলাদাভাবে তৈরি স্ফটিকের ফলের সামঞ্জস্য পরীক্ষা করেছে। তবে গবেষকেরা বলছেন, নতুন ঘড়িগুলো এখনো সবচেয়ে নির্ভুল অপটিক্যাল পারমাণবিক ঘড়ির পর্যায়ে পৌঁছায়নি। লেজার, স্ফটিকের গুণমান, পুনরাবৃত্তিযোগ্যতা ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মক্ষমতায় আরও উন্নতি প্রয়োজন।

12 Oct 26 1NOJOR.COM

ভিয়েনা ও বেইজিংয়ে থোরিয়াম-২২৯ ব্যবহার করে কার্যকর নিউক্লিয়ার ক্লক তৈরি

নিউজ সোর্স

রহস্য অনুসন্ধানে নতুন দিগন্ত খুলবে ‘নিউক্লিয়ার ক্লক’

সময় পরিমাপের প্রযুক্তিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছেন অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা ও চীনের বেইজিংয়ের বিজ্ঞানীরা। তারা পৃথকভাবে বিশ্বের প্রথম দুটি কার্যকর নিউক্লিয়ার ক্লক বা পারমাণবিক নিউক্লিয়াসভিত্তিক ঘড়ি তৈরি করেছেন। এই প্রযুক্তি ভবিষ্যতে প্রচলিত সর্বাধুনিক পারম

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।