Web Analytics

মালয়েশিয়া থেকে ৯ আগস্ট ১৯৬৫ সালে স্বাধীন হওয়ার পর বেকারত্ব, আবাসনসংকট, জাতিগত উত্তেজনা ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা মোকাবিলা করে সিঙ্গাপুর সমৃদ্ধ অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে বলে নিবন্ধে বলা হয়েছে। প্রাকৃতিক সম্পদ ও বড় অভ্যন্তরীণ বাজারের সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও দেশটি নগর ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনিক দক্ষতার উদাহরণ গড়ে তোলে। নিবন্ধে উদ্ধৃত বিশ্বব্যাংকের ২০২৫ সালের তথ্য অনুযায়ী, দেশটির মাথাপিছু জিডিপি প্রায় ৯৮ হাজার ৮১৪ ডলার এবং মোট জিডিপি প্রায় ৬০৪ বিলিয়ন ডলার।

নিবন্ধটি প্রতিষ্ঠাতা প্রধানমন্ত্রী লি কুয়ান ইউর পাশাপাশি অর্থনীতিবিদ, পরিকল্পনাবিদ, প্রশাসক, প্রকৌশলী ও শিক্ষাবিদদের যৌথ ভূমিকার কথা তুলে ধরেছে। গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথের কাছের অবস্থানকে ব্যবহার করে রপ্তানিমুখী শিল্পায়ন, বাণিজ্য ও বিদেশি বিনিয়োগের কৌশল নেওয়া হয়। ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট বোর্ড, অবকাঠামো, দক্ষ জনশক্তি এবং দুর্নীতি দমন কাঠামো এ প্রক্রিয়াকে সহায়তা করে।

আবাসন, শিক্ষা, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও বহুজাতিক সমাজে অন্তর্ভুক্তিকেও উন্নয়নের ভিত্তি হিসেবে দেখানো হয়েছে। ১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত এইচডিবি তিন বছরের মধ্যে ২১ হাজারের বেশি আবাসন ইউনিট নির্মাণ করে। পরে গৃহমালিকানা, জাতিগত সমন্বয়, কারিগরি প্রশিক্ষণ, পানি নিরাপত্তা, পরিবহন ও ভূমি ব্যবস্থাপনায় বিনিয়োগ বাড়ানো হয়।

06 Nov 26 1NOJOR.COM

বাণিজ্য, প্রতিষ্ঠান, আবাসন ও দক্ষতায় সিঙ্গাপুরের উন্নয়নের পথ তুলে ধরা হয়েছে

নিউজ সোর্স

কীভাবে শূন্য থেকে সমৃদ্ধির শিখরে ছোট্ট সিঙ্গাপুর

প্রাকৃতিক সম্পদ নেই, বিশাল অভ্যন্তরীণ বাজার নেই, স্বাধীনতার সময় ছিল বেকারত্ব, আবাসনসংকট, জাতিগত উত্তেজনা ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা। এমনকি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে টিকে থাকা নিয়েও ছিল সংশয়। অথচ মাত্র কয়েক দশকের ব্যবধানে সিঙ্গাপুর পরিণত হয়েছে বিশ্বের অন্যতম স

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।