Web Analytics

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সীমান্তে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার বন্ধে একাধিক বৈঠক হলেও বিএসএফের গুলিতে হত্যাকাণ্ড থামছে না। লালমনিরহাট সীমান্তে গত পাঁচ সপ্তাহে দুই বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। সর্বশেষ ১৪ মে হাতীবান্ধা উপজেলার বনচৌকি এলাকায় খাদেমুল ইসলাম নামে এক যুবককে গুলি করে হত্যা করা হয়। এর আগে ৮ এপ্রিল পাটগ্রাম সীমান্তে আলী হোসেন নামে আরেকজন নিহত হন। এসব ঘটনায় সীমান্ত এলাকার মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।

স্থানীয়রা ও সচেতন মহল বলছেন, সীমান্তে রক্তপাত বন্ধ না হলে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের আস্থা ও স্থিতিশীলতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ভারতের পক্ষ থেকে হত্যাকাণ্ড বন্ধের আশ্বাস বারবার দেওয়া হলেও বাস্তবে তা কার্যকর হয়নি। জবাবদিহির অভাব ও বিএসএফের ‘দেখামাত্র গুলি’ নীতি এসব ঘটনার মূল কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। অনেক সময় বিএসএফ বাংলাদেশের ভেতরে প্রবেশ করে নিরস্ত্র নাগরিকদের ধরে নিয়ে গিয়ে গুলি বা নির্যাতন চালায়।

বিজিবির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সীমান্তে শান্তি ও আস্থা বজায় রাখতে তারা দায়িত্বশীলভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

15 May 26 1NOJOR.COM

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে হত্যাকাণ্ড বন্ধে প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও সহিংসতা অব্যাহত

নিউজ সোর্স

বন্ধ হয়নি সীমান্তে বিএসএফের মারমুখী আচরণ | আমার দেশ

জেলা প্রতিনিধি, লালমনিরহাট
প্রকাশ : ১৫ মে ২০২৬, ১৪: ৪৯
সীমান্তে হত্যা শূন্যতে নামিয়ে আনা আর প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার না করার ব্যাপারে দুই দেশের সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে অনেকবার বৈঠক হয়েছে। কিন্তু তার পরেও সীমান্তে প্রাণঘাতী অস্ত্রের ব্যবহার যেন কোনোভ

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।